1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের স্বামী বিদেশ, অন্যের হাত ধরে বেরিয়ে ‘বড় মাশুল’ দিলো জুঁই দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ রোনালদোর মালিকানা গুঞ্জন নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তাপ | Boishakhi Online

চ্যালেঞ্জে ওষুধের বাজার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২২৭ বার দেখা হয়েছে

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে ওষুধশিল্প। নির্দিষ্ট কোম্পানি থেকে কাঁচামাল কিনতে হবে বেশি দামে। মেধাস্বত্ব ছাড় সুবিধা বাতিল হলে ওষুধের দাম বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই আগাম ব্যবস্থা হিসেবে প্যাটেন্ট প্রোডাক্টগুলো অনুমোদন করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে ওষুধশিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। নয়তো কয়েক গুণ বেশি দামে রোগীদের কিনতে হতে পারে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির মহাসচিব, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ওষুধ তৈরিতে ৪০০ সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান (এপিআই) প্রয়োজন হয়। দেশের ২১টি কোম্পানি ওষুধ তৈরির ৪১ ধরনের এপিআই উৎপাদন করে। তাই ওষুধ তৈরি করতে কোম্পানিগুলোকে ৮০ শতাংশ এপিআই আমদানি করতে হয়। এলডিসি থেকে বেরিয়ে এলে এপিআই আমদানিনির্ভর হওয়ায় দেশে ওষুধের দাম কমানো ও রপ্তানির বাজার ধরা চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটির অনুমোদন ছাড়া আমরা কোনো প্রোডাক্ট উৎপাদন করতে পারি না। সরকার যদি এলডিসি থেকে উত্তরণের আগে বাকি সব প্যাটেন্টের প্রোডাক্টগুলো ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) মাধ্যমে অনুমোদন দিয়ে রাখে, তখন কোনো বহুজাতিক (মাল্টিন্যাশনাল) কোম্পানি এসে বলতে পারবে না তুমি বাংলাদেশে এটা উৎপাদন করতে পারবে না। এখন থেকেই এ পদক্ষেপ নিতে হবে। সব ওষুধের প্যাটেন্টের নিবন্ধন ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের কোম্পানিগুলোরও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এতে নিবন্ধিত প্যাটেন্টের প্রোডাক্ট দেশে তৈরি করা যাবে।’বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026