1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের স্বামী বিদেশ, অন্যের হাত ধরে বেরিয়ে ‘বড় মাশুল’ দিলো জুঁই দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ রোনালদোর মালিকানা গুঞ্জন নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তাপ | Boishakhi Online

ম্যানিলায় চীন ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, রোহিঙ্গা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় জোর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের সাইডলাইনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মঞ্চের এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার, অর্থনীতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ম্যানিলায় আয়োজিত এই সংলাপে চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যৎভিত্তিক সম্প্রদায় গঠন এবং সার্বিক সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য ব্যবধান কমানো এবং দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে।

বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল রোহিঙ্গা সমস্যা ও তাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের সক্রিয় মধ্যস্থতা এবং মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক প্রভাব প্রযোগের অনুরোধ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে অবস্থানরত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই অত্যন্ত জরুরি। জবাবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জানান, চীন এই সংকটের একটি দীর্ঘস্থায়ী ও মানবিক সমাধান চায় এবং ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

কূটনৈতিক আলোচনার দ্বিতীয় প্রধান ক্ষেত্র ছিল দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাত। বৈঠকে পরিবহন করিডোর স্থাপন ও আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন দুই নেতা। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান চীনা অর্থায়নাধীন অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর দ্রুত অগ্রগতি এবং নতুন করে জ্বালানি ও শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়। বাংলাদেশের তরফ থেকে দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে চীনা বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। তিনি দুই দেশের আঞ্চলিক কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে নিজস্ব মতামত উপস্থাপন করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ কূটনৈতিক পর্যায়ের এই আলোচনা দু’দেশের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা, সীমান্ত অঞ্চলজুড়ে পরিবহন যোগাযোগ বিস্তার এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের ভূমিকা নিশ্চিত করতে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক এই সংলাপে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন কূটনৈতিক উচ্চতায় উন্নীত হলো।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026