1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শেখ হাসিনা ও রেহানার মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৩১ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কতটুকু ক্ষমতা পাবেন নেতানিয়াহু? রোমেরোর মতে মেসির ১০ নম্বর জার্সির যোগ্য উত্তরসূরি আলভারেজ এশিয়া কাপ আর্চারি: ইরাকে বন্যা-শ্রীপর্ণা-মনির সোনা জয় বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদিত এলাকায় সংরক্ষণ অবকাঠামো নির্মাণে অগ্রাধিকার : খাদ্যমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও একাধিক ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির ‘শিগগির তিস্তা মহাপরিকল্পনার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি’ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ফের ডনের জামিন মেলেনি এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের আরেক সোনা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে মন্টেনেগ্রোকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

শেখ হাসিনা ও রেহানার মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৩১ জানুয়ারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের' নামে দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) তহবিল থেকে অবৈধ প্রভাবে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে জমা না দোয় বিচারক নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

মামলার অন্য আসামি হলেন—বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস’র (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। এর আগে চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (ঢাকা-১)-এ মামলাটি রুজু করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার নথি ও অনুসন্ধানের তথ্য সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠন করেন, যেখানে শেখ হাসিনা আজীবন সভাপতি থাকার বিধান রাখা হয়। পরবর্তীতে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে অপর আসামি নজরুল ইসলাম মজুমদার বিএবির সভাপতি পদ ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করেন। বিএবির নির্বাহী কমিটির সভার এজেন্ডায় না থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে ওই ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রতিটি ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৮ সালের ডিওএস সার্কুলার এবং ২০২২ সালের সিএসআর গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যাংকের এই সিএসআর ফান্ডের অর্থ কোনো প্রাইভেট বা অনিবন্ধিত ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই। তা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইন লঙ্ঘনপূর্বক মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে দুদকের সরেজমিন পরিদর্শনে মেমোরিয়াল ট্রাস্টটির দেওয়া ঠিকানায় কোনো ধরনের দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি প্রতিষ্ঠানটি সমাজসেবা অধিদপ্তর কিংবা এনজিও বিষয়ক ব্যুরোরও নিবন্ধিত নয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা ব্যক্তিগত অসাধু স্বার্থ ও আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের দোহাই দিয়ে নজরুল ইসলাম মজুমদারের যোগসাজশে ব্যাংক খাতের এই বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026