1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের স্বামী বিদেশ, অন্যের হাত ধরে বেরিয়ে ‘বড় মাশুল’ দিলো জুঁই দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ রোনালদোর মালিকানা গুঞ্জন নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তাপ | Boishakhi Online

সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে, ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

আদালত ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার (২১ জুন) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালতে দুদকের পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাবেক এই সংসদ সদস্যের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দুদকের রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও অন্য সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রিক্রুটের জন্য এজেন্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা ধার্য থাকলেও আসামিরা তা অমান্য করে জনপ্রতি কয়েক গুণ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন। এভাবে মালয়েশিয়াগামী সাধারণ শ্রমিকদের অবৈধভাবে আর্থিক ক্ষতি সাধন করে বিভিন্ন ধাপে মোট ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ পরবর্তীতে বিভিন্ন পন্থায় ছদ্মাবৃত্তকরণ, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থপাচার (মানিলন্ডারিং) করা হয়েছে। এই অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু ও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে এবং অর্থপাচারের মূল উৎস ও চক্রের বাকি সদস্যদের চিহ্নিত করতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

আইনজীবী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত ফি আদায় এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠে আসায় এই মামলার তদন্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাবেক একজন সংসদ সদস্যের রিমান্ডের এই আদেশ দেশের অভিবাসন খাতে স্বচ্ছতা আনা এবং মানবসম্পদ রপ্তানিতে শৃঙ্খলা ফেরানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সিন্ডিকেটের পেছনে আরও কারা জড়িত এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ কোথায় পাচার হয়েছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তা উদঘাটিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট আইন কর্মকর্তারা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026