আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোথায় স্যাংশন, কোথায় ভিসানীতি, তলে তলে সবার সঙ্গে আপস হয়ে গেছে। নির্বাচন হবে, খেলা হবে। অক্টোবর থেকে খেলা শুরু। আগামী মাসে সেমিফাইনাল, জানুয়ারিতে
তফসিল ঘোষণার আগেই সরকারবিরোধী দলগুলোকে সাথে নিয়ে ঢাকায় বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিএনপি। সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় হওয়া না পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। গত
সরকারকে চূড়ান্ত সতর্কসংকেত দিয়ে বারবারই ব্যর্থ হচ্ছে বিএনপি। ২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত অন্তত এক ডজন আল্টিমেটাম দিয়েও সফল হতে পারেনি দলটি। সর্বশেষ গত সপ্তাহে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার দাবিতে
রাজনীতির আকাশের রং কি বদলাচ্ছে? কালো মেঘের আনাগোনা কি বাড়ছে? বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রশ্নে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ক্ষমতাপ্রত্যাশী বিএনপির মধ্যে একধরনের ঠান্ডা লড়াই অনেক
সুলতান সালাউদিন টুকু। বিএনপির যুব সংগঠন যুবদল সভাপতি। এক মামলায় হাজিরা, আরেক মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ। তার ওপর রয়েছে জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর ভয়। ছুটির দিন ছাড়া এভাবে প্রায় দিনই
এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর গত সাড়ে চার বছরে নিজ এলাকায় কেউ গেছেন একবার। কেউ গেছেন দু-চারবার। দলীয় নেতা-কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ রাজধানীতে এসেও খুঁজে পাননি জনপ্রতিনিধিকে। কেউ সরকারি কর্মসূচিতে অংশ
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শুধু খালেদা জিয়াকে এ অবস্থায় (অসুস্থ) রেখে নয়, হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো ধরনের নির্বাচনে যাবে না বিএনপি। আমরা বিশ্বাস
নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই মেরুতে অবস্থান ক্ষমতাসীন দল ও রাজপথের বিরোধীদের। নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি থাকলেও রাজপথের বিরোধীদের দাবির প্রতি সায় নেই সংসদের বিরোধী দলের। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দাবি, সংবিধান অনুযায়ী
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে কৌশলের পরিবর্তন করছে আওয়ামী লীগ। কয়েকটি ইস্যুতে দলের নেতাদের এখন থেকে সতর্কতার সঙ্গে কথা বলতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি, নিষেধাজ্ঞা,
রাজপথে সরকারবিরোধী আন্দোলন মোকাবিলার পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ভেতরে ভেতরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের নানা প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে। দলটির নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরাও নির্বাচনে অংশগ্রহণের জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচন