নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি দামে জনজীবনে একধরনের বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের সেবার মূল্য। সংসার চালাতে রীতিমতো গলদ্ঘর্ম অবস্থা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের। পরিস্থিতি এমন-একজন ব্যক্তি মাসে ৪০ হাজার থেকে
করদাতার ছবি, নাম, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), কর সার্কেল, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, সম্পদের পরিমাণ, করযোগ্য আয় ও করের পরিমাণ দিয়ে খুব সহজেই এক পৃষ্ঠার ফরম পূরণ করেই দেওয়া যাবে
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা সরকার খুচরা বাজারে ছয়টি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। যদিও নির্ধারিত দর কেউ মানছে না। বাজারে অভিযান চলছে। কিন্তু তাতেও নতুন দর কার্যকর করানো যাচ্ছে না। যেমন
আমার এক বড় ভাই বললেন, খেয়াল করে দেখলাম, ছোটবেলার কোনো শিক্ষাই বৃথা যায় না। এজন্য সবার উচিত, ছোটবেলায়ই নানারকম শিক্ষা গ্রহণ করা। তাহলে আমি যেভাবে উপকৃত হচ্ছি, সবাই সেভাবে উপকৃত
নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা ব্যাংকঋণের টাকা খেলাপি হওয়া দিন দিন বাড়ছে। কারণ, নথিপত্র ছাড়া নামে-বেনামে ঋণ নেওয়া অব্যাহত আছে। এসব ঋণ আদায়ে অর্থঋণ আদালতে দ্বারস্থ হচ্ছে ব্যাংকগুলো। এই আদালতে বিচারাধীন মামলায় আটকে
নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণের আইনগুলো শক্ত। সরকারি অন্তত ১৪টি সংস্থা তদারকির দায়িত্বে। তবে আইনের যেমন প্রয়োগ নেই, তেমনি দু-একটি ছাড়া বাকি সংস্থার তদারকিও পড়ে না চোখে। এ সুযোগই বারবার নেন ব্যবসায়ীরা।
এবার বিদেশি আইনি সংস্থা বা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে কমিশন দিয়ে পাচারের অর্থ ফেরত আনার চিন্তা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে উদ্ধারকৃত অর্থের একটি অংশ কমিশন হিসাবে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে কাজ
ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা নির্বাচনে ভোট প্রায় ‘নাই’ হয়ে গেছে। জেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের সংগঠন জেলা চেম্বারগুলোর অধিকাংশের কমিটি হয়েছে ভোটাভুটি ছাড়া। পণ্যভিত্তিক সংগঠনগুলোতেও সমঝোতার মাধ্যমে কমিটি হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, অধিকাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন। প্রায় সব পণ্যের দামই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম বেঁধে দিয়েছে সরকার। তবে আজ শুক্রবার সকালে
কয়েকটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের পদত্যাগ ও পদত্যাগের গুঞ্জনকে ঘিরে কয়েক দিন ধরে ব্যাংকিং খাতে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের সাথে বনিবনা না হওয়া, ব্যাংকের স্বার্থে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়