আসিয়ান কাপে দলের বিবর্ণ পারফরম্যান্স নিয়েও আলোচনা হয়েছে সভায়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
আসিয়ান কাপে বিবর্ণ পারফরম্যান্স, আসছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, সামনের ফিফা উইন্ডোগুলো কাজে লাগাতে যুব দল দাঁড় করানো থেকে শুরু করে খেলোয়াড়দের ‘ক্ষ্যাপ’ খেলা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ন্যাশনাল টিমস কমিটির বৈঠকে।
সোমবার সভায় কেবল ন্যাশনাল টিমস কমিটি নয়, ডেভলপমেন্ট কমিটি ও টেকনিক্যাল কমিটির প্রতিনিধিরাও ছিলেন উপস্থিত। বৈঠকে আলোচনার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল আসিয়ান কাপে টমাস ডুলির দলের মলিন পারফরম্যান্স। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার জন্য ভারত সরে দাঁড়ানোয় এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ মেলে। কিন্তু গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে হেরে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।
তিন শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে নেমে সব বিভাগে দলীয় ব্যর্থতার ছাপ, ভেতরের কঙ্কাল ফুটে ওঠে প্রকটভাবে। হামজা-শোমিতদের উপস্থিতি সত্ত্বেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০, সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর, স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ উড়ে যায় ৯-২ ব্যবধানে।
ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের আগে সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের পার্টি করার ছবিও আসে গণমাধ্যমে। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল বললেন, আসিয়ান কাপে দলের মাঠের ভেতর-বাইরের সবকিছু মূল্যায়ন করা হবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যাচ খেলতে (ক্ষ্যাপ) খেলোয়াড়দের যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও ভাবছেন তারা।
“অবশ্যই বিস্তারিত অনেক কথা হয়েছে, এশিয়ান কাপে কী হলো? কিছু খেলোয়াড়ের নামে অভিযোগ এসেছে, ফেইসবুকেও ছবি এসেছে। তো কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ইস্যুটা তদন্ত করব। খেলোয়াড়দের সাথে বসব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, সেটার জন্য কমিটিকে রেকমেন্ড করব।
“এর আগে অনেক খেলোয়াড় কিন্তু টাঙ্গাইলে একটা ক্ষ্যাপ খেলেছিল, সে অভিযোগটাও এসেছিল। আমরা ওই সময় হয়তো একটু ওভারলুক করেছিলাম, কিন্তু এখন আমরা তেমন কিছু মনে করছি না, সেই ব্যাপারেও আমরা খেলোয়াড়দের সাথে কথা বলব; যারা অভিযুক্ত, তাদের সাথে কাউনসেলিং সেশনের মতো আমরা কিছু বৈঠক করব ব্যক্তিগতভাবে।”
আগামী নভেম্বর ঢাকায় বসবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৩ সালে প্রথম ও সবশেষ এই শিরোপা বাংলাদেশ জিতেছিল। সেবারও আসর বসেছিল ঢাকায়। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ফিরে পেতে সবকিছু করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তাবিথ।
“আগামীতে যে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আসছে, এই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির জন্য যা যা করণীয়, আমরা সেটা শুনেছি ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে। আমাদের তরফ থেকে গাইডেন্সগুলা দিয়েছি এবং কী কী সাপোর্ট লাগবে, সেগুলো আমরা নোট করেছি।”
সামনের ফিফা উইন্ডোতে জাতীয় দলের পাশাপাশি যুব দলের জন্য ম্যাচ আয়োজনের ভাবনাও আছে, বললেন তাবিথ।
“আমরা চিন্তা করছি, জাতীয় দলটাকে সবসময় একটু শক্তিশালী করার জন্য এবার থেকে প্রতিটি ফিফা উইন্ডোতে আলাদা করে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে প্রশিক্ষণে রাখব এবং তারা কোনো না কোনো দেশের সাথে ফ্রেন্ডলি ম্যাচ আনঅফিশিয়ালভাবে হলেও খেলবে।”
মদ, নাচানাচি ও রাষ্ট্রের নৈতিক পাহারাদারি
‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ডিজিটাল সংবাদপত্রের পথিকৃৎ