1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রিস-বাংলাদেশ শ্রমচুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রদূত সুমনার গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার

সারা দেশের অনিবন্ধিত সুদ কারবারিদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২১৩ বার দেখা হয়েছে

সারা দেশের গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়া অনিবন্ধিত সুদের কারবার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তালিকা করতে গিয়ে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাদের কার্যক্রম বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি জাকির হোসেনের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সুদ কারবারিদের তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হওয়া রিটের শুনানিতে প্রতারিত মানুষের অবস্থা তুলে ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একই ভার্চুয়াল বেঞ্চে শুনানি হয়। পরে এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেন আদালত।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সারা দেশের গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়া অনিবন্ধিত সুদের কারবার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন রিট আবেদনটি দাখিল করেন। আবেদনে দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) বিবাদী করা হয়।

আইনজীবী সুমন বলেন, দেশজুড়ে সমবায় সমিতির নামে সুদের কারবার চলছে। আবার কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে ঋণ দেওয়ার নামে উচ্চহারে সুদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ এসব সুদের কারবারির কাছে জিম্মি। তাদের সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে আদায় করা সুদের পরিমাণও আকাশছোঁয়া। ১০ হাজার টাকায় প্রতি সপ্তাহের সুদ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, কারো ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা, মাসে সুদ হিসেবে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেন তারা। অথচ তাদের এই কারবারে সরকারের কোনো অনুমোদন নেই, সমিতির নামের কোনো নিবন্ধন নেই।

ব্যারিস্টার সুমন আরো বলেন, অনিবন্ধিতভাবে গজিয়ে ওঠা এসব সমবায় সমিতি ও সুদের কারবারি থেকে ঋণ নিয়ে সুদের বোঝা টানতে টানতে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে মানুষ। প্রশাসনের চোখের সামনেই এই সুদের কারবার চলছে। এই অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের নামে সুদের কারবার বন্ধ হওয়া দরকার।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026