1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ ছয় বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা প্রত্যেক শিশুকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পিয়াজের দামে ফের অস্থিরতা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৪৩ বার দেখা হয়েছে

হঠাৎ করেই পিয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। রাজধানীতে দুই দিনে কেজিপ্রতি পিয়াজের দর ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। অথচ সরবরাহ স্বাভাবিক। তারপরও কেনও বেড়েছে এই নিত্যপণ্যের দাম- সরকার, ব্যবসায়ী, আমদানিকারক তা কেউই জানেন না। সোমবার রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব অনুযায়ী, সোমবার প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। গত সপ্তাহে দাম ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এক মাস আগে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা।

আর এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ৪৩.৬৮ শতাংশ। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসের এই সময় প্রতি কেজি পিয়াজের দাম ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

এদিকে আমদানি করা পিয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। আর এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়ছে ২৩.৫৩ শতাংশ।

পিয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পিয়াজ মজুদ রেখে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সময় দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, তিন থেকে চার দিন আগেও পিয়াজের দর ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা। খুচরা বাজারে এখন প্রতিকেজি দেশি পিয়াজের দাম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। আর কাওরান বাজারের পাইকারিতে কেজি প্র্রতি রাখা হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।

কাওরান বাজারের পিয়াজ বিক্রেতা মকবুল মিয়া বলেন, আমদানি কম হচ্ছে। যার ফলে দাম বাড়ছে। এছাড়া পিয়জের মৌসুম শেষের দিকে। তাই দামও চড়া। তিনি বলেন, পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। মনপ্রতি পিয়াজের দাম বেড়েছে ২০০ টাকা। তাই আমরাও বাড়িয়ে বিক্রি করছি। আগামীতে আরও দাম বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।

এদিকে দেশের সবচেয়ে বেশি পিয়াজ উতপাদন হয় ফরিদপুর জেলায়। এখানেই হঠাৎ করে অস্বাভাবিক ভাবেই বেড়েছে পিয়াজের দাম। তিন দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। হঠাৎ করে পিয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত তিন দিন আগেও ফরিদপুরের বিভিন্ন খুচরা বাজারগুলোতে পিয়াজ বিক্রি হতো প্রতি কেজি ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হতো ২৫ থেকে ২৮ টাকায়। গত শুক্রবার থেকে ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারগুলোতে পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকে।

জেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পিয়াজ ২০ টাকা করে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০/৬২ টাকায়। হঠাৎ করে কেজিতে ২০/২২ টাকা বেড়ে যাওযার তেমন কোনো কারণ জানাতে পারেনি খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তবে তারা বলছেন, ভারত থেকে পিয়াজ আমদানি বন্ধ থাকা এবং রাখী ব্যবসায়ীরা পিঁয়াজ বাজারে না ছাড়ার কারণেই পিয়াজের দাম বেড়েছে।

পিয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। তাদের দাবি, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পিয়াজ মজুদ রেখে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা লাভের আশা করছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের প্রতি বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান ক্রেতারা।

উল্লেখ্য প্রতিবছর দেশে পিয়াজের চাহিদা ২৫ লাখ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছর দেশে উৎপাদন হয়েছে ২৫ লাখ ৫৭ হাজার টন। উৎপাদিত পিয়াজের ২৫ শতাংশ পচে যায়। তাই প্রকৃত উৎপাদন ১৯ লাখ ১১ হাজার টন। চাহিদার বাকি ঘাটতি মেটাতেই আমদানি করা হয়েছে ৪ লাখ ৫৯ হাজার টন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026