1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রিস-বাংলাদেশ শ্রমচুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রদূত সুমনার গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার

মিয়ানমার সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সম্পৃক্ততা আবশ্যক- ডা. দীপু মনি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি বলেছেন, মিয়ানমার সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সম্পৃক্ততা আবশ্যক।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের আয়োজনে এবং গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, জাতিগত নির্মূল ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্লোবাল সেন্টার ফর রেসপনসিবিলিটি টু প্রটেক্ট এর সহযোগিতায় “রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা : শুধু নিন্দা জ্ঞাপনই নয় প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ” বিষয়ক সাইড ইভেন্টে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন।
ডা. দীপু মনি তার বক্তৃতায় গতমাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে মিয়ানমার সমস্যা সমাধানে যে পাঁচদফা অ্যাকশান প্ল্যানের কথা তুলে ধরা হয়েছে তা পুনরুল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ সমস্যা সমাধানে দুইদফা পদক্ষেপ আশু প্রয়োজন। তা হলো: বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা প্রদান এবং শান্তিপূর্ণ, ন্যায়সংগত ও টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের ব্যবস্থা করা।
রাজনৈতিক সমাধান প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিকভাবে কূটনৈতিক প্রয়াস চালিয়ে যাবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পূর্ণসমর্থন, মনোযোগ ও সম্পৃক্ততা না থাকলে কাঙ্খিত সমাধান আসবে না। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার সঙ্কট বিষয়টিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রূপ দিতে হবে এবং নিরাপত্তা পরিষদের আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচিতে মিয়ানমার পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত করে এই বিষয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার ব্যবস্থা করতে হবে”। তিনি কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার আশ্বাসের কথা উল্লেখ করেন। কমিশনের সুপারিশমালার মধ্যে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মিয়ানমারের ১৯৯২ সালের নাগরিকত্ব আইন পুনর্বিবেচনার কথাও তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অফধসধ উরবহম, জাতিসংঘে নিযুক্ত ওআইসি’র স্থায়ী পর্যবেক্ষক অ্যাম্বাসাডার অমংযরহ গবযফরুবা, গ্লোবাল সেন্টার ফর রেসপনসিবিলিটি টু প্রটেক্ট’র নির্বাহী পরিচালক উৎ. ঝরসড়হ অফধসং, সংঘাতময় পরিস্থিতিতে যৌন সহিংসতা বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত প্রমীলা প্যাটেন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনসহ ৩০ টির বেশি দেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026