1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রিস-বাংলাদেশ শ্রমচুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রদূত সুমনার গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার

পেঁয়াজ আমদানি স্থগিত, দেশের বাজারে দাম বাড়ার সম্ভাবনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

সরকার দেশের কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় সোমবার সকাল থেকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি স্থগিত করেছে। তবে পূর্বে অনুমোদিত আমদানির অধীনে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আনা সম্ভব হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, পাশাপাশি দেশে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে।

আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্তের কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমতে পারে এবং দাম আবারও বেড়ে যেতে পারে। হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সহ-সভাপতি ও মেসার্স রায়হান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, “আমদানি অনুমতি বন্ধের ফলে সোমবার থেকেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। আগের দিন যা ৪৬ থেকে ৫৩ টাকায় বিক্রি হতো, সোমবার তা বেড়ে ৫৪ থেকে ৬২ টাকা কেজি হয়েছে।”

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেনও জানান, দেশের পেঁয়াজের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, “দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে। সোমবার দেশি পেঁয়াজের দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, নতুন ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৮ থেকে ৬০ টাকা এবং পুরাতন পেঁয়াজ ৬৩ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।”

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে নতুন পেঁয়াজের প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। ফলে আমদানির সাময়িক স্থগিত হলেও বাজারে দাম বৃদ্ধির কোনো তাত্ক্ষণিক আশঙ্কা নেই। লি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, “সরকার অনুমোদিত আমদানির মাধ্যমে বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে। সোমবারও পূর্ব অনুমোদিত আমদানির ভিত্তিতে পেঁয়াজ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ঢুকেছে।”

বিগত কয়েক মাসে পেঁয়াজের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বাংলাদেশে ভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের মৌসুমের সঙ্গে ভারতের আমদানি সরবরাহ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ বছর দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও আমদানির স্থগিতাদেশের ফলে ভোক্তাদের ওপর চাপ কিছুটা বাড়তে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের আমদানি নীতি এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যবেক্ষণ সমন্বিতভাবে প্রয়োজন। পাশাপাশি, ভারতীয় পেঁয়াজের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি ও বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাময়িকভাবে আমদানির অনুমতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কৃষকের স্বার্থে নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, দেশীয় উৎপাদিত পেঁয়াজের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে দামের ঊর্ধ্বমুখী চাপ রোধ করা।

বর্তমানে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বিপুল হওয়ায় আমদানির স্থগিতাদেশে স্বল্প মেয়াদে ভোক্তা দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে, বাজার পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সময়মতো আমদানির অনুমোদন আবার দেওয়া সরকারের দায়িত্ব হিসেবে থাকবে।

সরাসরি বাণিজ্য ও বাজার পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সরকারের এই পদক্ষেপ দেশি কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026