1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রিস-বাংলাদেশ শ্রমচুক্তি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রদূত সুমনার গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার

মার্চের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স ২.৮৩ বিলিয়ন ডলার, আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৭ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে প্রায় ২ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) প্রায় ৩৪ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের মার্চের প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের একই সময়ে দেশে এসেছিল ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এবার প্রায় ১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে মোট ৩০২ কোটি ডলার বা প্রায় ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আগের বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রণোদনা কার্যক্রম এই প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। প্রবাসীদের জন্য নগদ প্রণোদনা, সহজ ব্যাংকিং সেবা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধির ফলে বৈধ পথে অর্থ প্রেরণের প্রবণতা বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্রেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অর্থবছরের শুরু জুলাই থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫২৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রার উৎস হিসেবে বিবেচিত। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি, গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভোগব্যয় বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসেও রেমিট্যান্সের অবদান উল্লেখযোগ্য।

বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরের শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং প্রবাসী শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা এই প্রবাহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026