1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোনারগাঁয়ে ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়েতে ফাটল চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন বিজ্ঞানী তামিম হত্যা: মন্ত্রী রবিসহ ৯ জনকে মামলায় আসামি করার ‘রিভিশন’ আবেদন নাকচ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন খারিজ দেশের কত জেলা ঘুরেছেন? নিজের ভাইরাল ট্রেন্ড ভ্রমণ ম্যাপ বানাবেন যেভাবে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম অটোরিকশা চালকদের চলতি অর্থবছরেই ২০ জেলায় সমন্বিত মেডিকেল অক্সিজেন প্রকল্প: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নার্সিং অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হলেন মোসলেমা নাজনীন ঢাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপমাত্রা তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নিতে চান মন্ত্রী

লিবিয়ার স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবল নিয়োগে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

লিবিয়ার স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান জনবলের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার। বৃহস্পতিবার লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহর সঙ্গে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-গৌজের এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বৈঠকে লিবিয়ার বিভিন্ন হাসপাতাল ও বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত লিবিয়ার নবনিযুক্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, লিবিয়ার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশটিতে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে সেবা প্রদান করে আসছেন। বর্তমানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি পেশাজীবী লিবিয়ার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ সময় বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের সেবা অব্যাহত রেখেছেন, যা লিবিয়ার সাধারণ জনগণের কাছে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের প্রতি বিশেষ আস্থা তৈরি করেছে।

রাষ্ট্রদূত হাবীব উল্লাহ বর্তমানে কর্মরত অধিকাংশ বাংলাদেশি কর্মীর বেতন-ভাতা নিয়মিত করার জন্য লিবিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, কিছু প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতার কারণে এখনো অনেক কর্মীর পাওনা বকেয়া রয়েছে। বিশেষ করে যারা ইতোমধ্যেই কর্মজীবন শেষ করে দেশে ফিরে এসেছেন, তাদের বকেয়া পরিশোধের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। বর্তমান বিনিময় হার (Exchange Rate) অনুযায়ী চুক্তি নবায়ন, চুক্তিভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ বাংলাদেশে প্রেরণের পথ সুগম করার জন্য তিনি লিবিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান।

জবাবে লিবিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-গৌজ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের কর্মস্পৃহা ও ত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জানান, লিবিয়া সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে এবং অধিকাংশ কর্মীর মাসিক বেতন নিয়মিত করা হয়েছে। বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়টি তদারকি করার জন্য একটি বিশেষায়িত কমিটি কাজ করছে বলে তিনি রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন। লিবিয়ার আইন অনুযায়ী প্রবাসী কর্মীদের সকল অধিকার রক্ষা এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে তাঁর মন্ত্রণালয় সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, লিবিয়ার এই প্রস্তাব বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম এই শ্রমবাজারে পুনরায় বড় আকারে জনবল রপ্তানির সুযোগ তৈরি হওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উভয় পক্ষ নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের এই উন্নয়ন অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেবল জনবল রপ্তানিই নয়, বরং দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026