1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাবেক বিচারকের শান্তিতে নোবেল জেতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : ড. মঈন খান রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি রোসাটমের রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ কবে আসবে, জানাল রোসাটম দেয়ালে ঝুলছে নানা গাছ, প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে কলোনিতে মন্ত্রী ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতা বিশ্বে মানবাধিকার আইনের অগ্রদূত: নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইয়ের জীবনগাথা নাভি পিল্লাই: বর্ণবৈষম্যবিরোধী লড়াই থেকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের অগ্রপথিক প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৭ রান

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এবং নিজের বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উচিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ও প্রচলিত আদালতের মুখোমুখি হওয়া।

বুধবার (২০ মে) সকালে সাভারের পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মাথা উঁচু করে দেশে ফিরবেন’ সংক্রান্ত বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেকোনো আইনি প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে। এখানে জোর-জবরদস্তির কোনো সুযোগ নেই। স্বাধীন বিচার বিভাগে যদি কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হন, তবে তিনি খালাস পাবেন। তাই রাজনৈতিক বক্তব্য না দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করাই যৌক্তিক পদক্ষেপ।

এর আগে মন্ত্রী নির্মাণাধীন ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ভৌত অবকাঠামো ও অগ্রগতি ঘুরে দেখেন। তিনি জানান, দেশের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং খেলাধুলার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো এবং প্রতিযোগিতার আয়োজন করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের পরিধি ও লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে ড. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১১ ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন, যার মধ্যে শারীরিক, মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক ও বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতা অন্তর্ভুক্ত। এদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে প্যারা অলিম্পিকের মতো বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তুলতে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, প্রকল্পটিতে এখনো কোনো আসবাবপত্র বা অভ্যন্তরীণ সরঞ্জাম ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। বর্তমানে কেবল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে, যা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা গণপূর্ত অধিদপ্তর (পিডব্লিউডি) সরাসরি সম্পাদন করছে। প্রকল্প পরিচালকের এককভাবে অর্থ ব্যয়ের কোনো এখতিয়ার নেই এবং বরাদ্দকৃত অর্থ সরাসরি পিডব্লিউডিতে স্থানান্তরিত হচ্ছে। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, সাইট প্রকৌশলী ও স্থপতিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজের গুণগত মান ও নকশা তদারকি করছেন। ফলে এখানে আর্থিক অনিয়মের সুযোগ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026