1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাবেক বিচারকের শান্তিতে নোবেল জেতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : ড. মঈন খান রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি রোসাটমের রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ কবে আসবে, জানাল রোসাটম দেয়ালে ঝুলছে নানা গাছ, প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে কলোনিতে মন্ত্রী ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতা বিশ্বে মানবাধিকার আইনের অগ্রদূত: নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইয়ের জীবনগাথা নাভি পিল্লাই: বর্ণবৈষম্যবিরোধী লড়াই থেকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের অগ্রপথিক প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৭ রান

শিশু নির্যাতন-হত্যা নৈতিক অবক্ষয়ের ভয়াবহ প্রতিফলন: মির্জা ফখরুল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

দেশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলোকে কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মনে করেন, এই অপরাধগুলো সমাজব্যবস্থায় দীর্ঘ সময় ধরে চলমান নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের চরম বিপর্যয়ের এক ভয়াবহ বহিঃপ্রকাশ। এই সামাজিক ব্যাধি দূর করতে কেবল সরকারি উদ্যোগ বা আইনি প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, বরং এর বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত জাতীয় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দেশের বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতি এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে নিজের এই সুচিন্তিত অবস্থান ও ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমাজে দিন দিন যেভাবে নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা বাড়ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও ভয়হীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি সামাজিক সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, অপরাধ দমনের জন্য রাষ্ট্রীয় আইন এবং প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। একটি সুস্থ সমাজ গঠনে পরিবার, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং নারীর সর্বোচ্চ মর্যাদা নিশ্চিত করার শিক্ষা দিতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, দেশের বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে নৈতিকতার এই চরম পতন ঠেকাতে পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। শৈশব থেকেই যদি শিশুদের মধ্যে নৈতিক ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশ না ঘটে, তবে আইনের কঠোর প্রয়োগ করেও অপরাধের গ্রাফ পুরোপুরি নামিয়ে আনা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর এই বক্তব্য সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিবৃতিতে মন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অর্থ হলো সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করা। এই নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে না পারলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে। তাই সব ধরনের সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সমাজের এই অবক্ষয় রুখতে এবং পরিবর্তনের এই সামাজিক সংগ্রামে দেশের প্রতিটি স্তরের নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একযোগে শামিল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026