1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট: জয়পুরহাট সদরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কালাই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যাটিং বিপর্যয় ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট পতন দ. আফ্রিকার তোপ সামলে লড়ছে অস্ট্রেলিয়া রূপপুর থেকে দ্রুত জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ: রোসাটম মানসিক অসুস্থতা ঘিরে কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাবেক বিচারকের শান্তিতে নোবেল জেতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : ড. মঈন খান রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি রোসাটমের রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ কবে আসবে, জানাল রোসাটম দেয়ালে ঝুলছে নানা গাছ, প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে কলোনিতে মন্ত্রী

বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত শেরে বাংলা: তথ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কেবল একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক মুক্তির প্রকৃত অগ্রদূত। তাঁর ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কারণেই এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা জমিদারের শোষণ এবং ঋণের জাল থেকে মুক্তি পেয়েছিল। শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ‘শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেন। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তাঁর বক্তব্যে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, শেরে বাংলার নামের সঙ্গে এ দেশের সাধারণ মানুষের গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে। ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর, তিনি বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াতে অনন্য ও যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিশেষ করে তৎকালীন অবহেলিত মুসলিম সমাজের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, শেরে বাংলার ঐতিহাসিক ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠনের ফলেই এ দেশের শোষিত ও নির্যাতিত কৃষকরা বংশানুক্রমিক ঋণের ফাঁস থেকে মুক্তি পেয়েছিল। এই পদক্ষেপ গ্রামীণ অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনে প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং পরবর্তীতে জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পথকে পুরোপুরি সুগম করে তোলে। তথ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শেরে বাংলার মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য বা এজেন্ডা তথা জমিদারি উচ্ছেদ ও প্রজার মুক্তি সফল হওয়ার পর, প্রথাগত রাজনীতিতে তাঁর উত্তরাধিকারের অবসান ঘটলেও একজন মহান সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি চিরকাল প্রাসঙ্গিক থাকবেন। এই মহান নেতার কর্ম ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে শেরে বাংলা ফাউন্ডেশনকে গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবু হানিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা, সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসি’র সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলার ২০টি এতিমখানা ও মাদ্রাসার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেন। বক্তারা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার এবং শেরে বাংলার জনকল্যাণমুখী আদর্শ অনুসরণের তাগিদ দেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026