1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ

চাকরির প্রলোভনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়ানো বাংলাদেশি কর্মী রাজন হোসেন দেশে ফিরেছেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

চাকরির প্রলোভনে প্রতারিত হয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া অন্তত ৩০ জন বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে মো. রাজন হোসেনকে মস্কো দূতাবাসের হস্তক্ষেপে উদ্ধার করে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। গত শুক্রবার মস্কোর স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় তাকে দেশে ফেরার বিমানে তুলে দেওয়া হয়।

মস্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজনের ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন হওয়ার পরই তার নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হয়। উদ্ধার-পরবর্তী পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দূতাবাসের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, রাজন হোসেন ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে আদ্দিস আবাবা হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

এর আগে উচ্চ বেতন এবং বিভিন্ন আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণামূলকভাবে ৩০ জন বাংলাদেশি যুবককে রাশিয়ায় পাঠানোর গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এই মানবপাচার ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১ জুন তিনটি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এজেন্সিগুলো হলো—আর এস ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-১৪২৮), জাবাল-ই-নূর (আরএল-২৫০৫) এবং টিএস ওভারসিস লিমিটেড (আরএল-১৭৫৫)। মন্ত্রণালয় এই তিন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার এবং তাদের জমাকৃত জামানত বাজেয়াপ্ত করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে আকর্ষণীয় বেতনের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশি যুবকদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলার এই ঘটনা দেশের জনশক্তি রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। এ ধরনের অবৈধ চক্রের সঙ্গে জড়িত দালাল ও সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং সাধারণ শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি না করলে এই ধরনের মানবপাচার রোধ করা কঠিন হবে। দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাকি ভুক্তভোগী বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026