1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আজ ঘোষণা হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম যুক্তরাষ্ট্রের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার সুযোগ প্রথমবারের মতো শুরু হলো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি প্রক্রিয়া শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তিও শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতিও শিশুদের মানবিক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান ঢাকার কম্বোডিয়ায় স্বপ্নের সমাধি: বৃহস্পতিবার ফিরছে ৪ প্রবাসীর নিথর দেহ ছয় বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অপরিবর্তিত থাকতে পারে তাপমাত্রা প্রত্যেক শিশুকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ, যানবাহনের ফিটনেস যাচাই, গতি নিয়ন্ত্রণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় সড়ক ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এই লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’ (বিআরএসপি)-এর আওতায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স ও ৮০টি প্যাট্রোল মোটরসাইকেল সার্ভিস উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বিআরটিএ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে বাস্তবায়নাধীন দেশের প্রথম বহুখাতভিত্তিক ও সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ-ভিত্তিক এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যহারে হ্রাস করা। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল, অদক্ষ চালক, মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত গতি এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। অনেক চালক পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই দীর্ঘকাল ধরে যানবাহন চালিয়ে আসছেন, যা মহাসড়ক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু কঠোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাসের আয়ুষ্কাল ২০ বছর এবং ট্রাকের আয়ুষ্কাল ২৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরোনো যানবাহন স্ক্র্যাপ ও রিসাইক্লিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত ও যুগোপযোগী নিরাপদ সড়ক আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় জরুরি চিকিৎসাসেবা জোরদার করার লক্ষ্যে জয়দেবপুর-হাটিকুমরুল-বগুড়া-রংপুর, হাটিকুমরুল-নাটোর-রাজশাহী এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের মোট ৫০০ কিলোমিটার অংশে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতি ১০ কিলোমিটার এলাকায় একটি করে অ্যাম্বুলেন্স অবস্থানের ফলে দুর্ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে আহতদের ঘটনাস্থলে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবার জন্য ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশের অধীনে ৮০টি প্যাট্রোল মোটরসাইকেল নিয়োজিত করা হয়েছে। মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হাসপাতালগুলোকে ট্রমা কেয়ার ও জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে তোলার পাশাপাশি অকার্যকর ট্রমা সেন্টারগুলো পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন বা কঠোর আইন প্রণয়ন করলেই সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। এজন্য সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা আবশ্যক। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ভূমিকার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026