1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন বিজ্ঞানী তামিম হত্যা: মন্ত্রী রবিসহ ৯ জনকে মামলায় আসামি করার ‘রিভিশন’ আবেদন নাকচ সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন খারিজ দেশের কত জেলা ঘুরেছেন? নিজের ভাইরাল ট্রেন্ড ভ্রমণ ম্যাপ বানাবেন যেভাবে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম অটোরিকশা চালকদের চলতি অর্থবছরেই ২০ জেলায় সমন্বিত মেডিকেল অক্সিজেন প্রকল্প: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নার্সিং অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হলেন মোসলেমা নাজনীন ঢাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপমাত্রা তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নিতে চান মন্ত্রী শহরের চাপ কমাতে গ্রামে নাগরিক সুবিধা বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাগুরায় শিশু আছিয়া আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে
অপরাধ ডেস্ক
মাগুরায় ৮ বছরের শিশু আছিয়া আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ২৪ আগস্ট হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়। ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার দিন ধার্য থাকলেও পরবর্তীতে তা পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক এবং আসামি পক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন হাফিজুর রহমান খান।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ মার্চ মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল আট বছরের শিশু আছিয়া। ওই দিন রাতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মাগুরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ২৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বিচারিক কার্যক্রমে ২৭ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ৭ মে তা শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আনীত অভিযোগ প্রমাণে মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
গত বছরের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারিক আদালতের রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। তবে মামলার অপর তিন আসামি—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, তার ছোট ভাই এবং সজীবের মা জাহেদা বেগমকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেন আদালত। বিচারিক আদালতের ওই রায়ের পর নিয়মানুযায়ী ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে এবং আসামিপক্ষ আপিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ই বহাল রাখলেন।
আইনজীবীরা জানান, শিশু নির্যাতন ও এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন হওয়া সমাজে বিচারহীনতার সংস্কৃতি রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। এই রায়ের ফলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। শিশু সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের কার্যকারিতা তুলে ধরেছে এই রায়।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026