1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ

আন্তর্জাতিক তোতলামি সচেতনতা দিবস আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

তোতলামি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আজ ২২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক তোতলামি সচেতনতা দিবস। কথা বলার সময় শব্দ বা শব্দাংশ বারবার উচ্চারণ করা, কোনো শব্দ টেনে বলা কিংবা কথা বলতে গিয়ে হঠাৎ আটকে যাওয়াকে তোতলামি বলা হয়। এটি একটি যোগাযোগজনিত সমস্যা, যা বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় একজনের রয়েছে।

১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে মাইকেল সুগারম্যানের উদ্যোগে দিবসটি পালনের সূচনা হয়। তোতলামি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, এ বিষয়ে গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা নিশ্চিত করাই দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তোতলামির পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বংশগত বৈশিষ্ট্য, শিশুর বিকাশের ধরন এবং মস্তিষ্কে কথা ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণের পার্থক্য। তোতলামির সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের পরিবারের অন্য সদস্যেরও একই সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তোতলামি ফাউন্ডেশন।

বিশ্বে ৮ কোটিরও বেশি মানুষ তোতলামির সমস্যায় ভুগছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রেই এ সংখ্যা ৩০ লাখের বেশি। নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে তোতলামির প্রবণতা প্রায় চার গুণ বেশি।

শিশুদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যা দেখা যায়। প্রায় ৫ শতাংশ শিশু জীবনের কোনো এক পর্যায়ে অন্তত ছয় মাস তোতলামির সমস্যায় ভোগে। তাদের মধ্যে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পরবর্তী শৈশবে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে শুরু করে। তবে প্রায় এক শতাংশের ক্ষেত্রে সমস্যাটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

তোতলামি মানেই মানসিক বা আবেগজনিত সমস্যা নয়। শিশু কিংবা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এ সমস্যার সঙ্গে মানসিক জটিলতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এমন প্রমাণ নেই। একইভাবে মানসিক আঘাতকে তোতলামির কারণ বলেও মনে করা হয় না।

শিশুর কথা বলার সময় তোতলামি দেখা দিলে শুরু থেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সমস্যা তিন থেকে ছয় মাসের বেশি স্থায়ী হলে কিংবা শুরু থেকেই বেশি মাত্রায় দেখা দিলে বাক্‌ ও ভাষা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। উপযুক্ত বাক্‌চিকিৎসার মাধ্যমে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্করাও কথা বলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে পারেন।

তোতলামি নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো, আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করা, শিশুদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে গবেষণা এগিয়ে নেওয়াই আন্তর্জাতিক তোতলামি সচেতনতা দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026