1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, অবরোধের পর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক খুলনা হয়ে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী সৌদির কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, ১ জনের মৃত্যু ‘প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এযাবৎকালের সেরা পরামর্শ’ | Boishakhi Online মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা চালুর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুলনায় প্রথমবার তারেক রহমান আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে যুক্ত হচ্ছে সুন্দরবনের সাতটি জলজ প্রজাতির ডিএনএ সিকোয়েন্স হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান পরিদর্শন শেষে মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় বানৌজাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাটে-বলে অস্ট্রেলিয়াকে ভুগিয়ে ইয়ানসেনের প্রত্যয়, ‘বারবার ফিরে আসবই’

চট্টগ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে বিনামূল্যে বীজ ও টিকার উদ্যোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

কৃষি ডেস্ক

চলমান বন্যায় চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলার কৃষকদের চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের অঙ্গীকার করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধান বীজ ও চারা বিতরণের পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারিদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও গবাদিপশুর টিকা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, বন্যায় চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় আমন ধানের বীজতলা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির নিচে দীর্ঘক্ষণ নিমজ্জিত থাকায় অনেক কৃষকের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। এই সংকট মোকাবিলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষকদের হাতে বীজ পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। যাদের জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে, তাদের জন্য বিকল্প বীজতলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে এই বীজতলা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে উৎপাদিত চারা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে। এর ফলে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষকরা দ্রুত চারা রোপণ করতে সক্ষম হবেন।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পর খুরা রোগসহ (এফএমডি) বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এই ঝুঁকি এড়াতে শুক্রবার থেকেই বিশেষ মেডিকেল টিমের মাধ্যমে পাঁচ জেলায় ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সব গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে গোখাদ্যের তীব্র সংকট মোকাবিলায় প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সহায়তা আরও বাড়ানো হবে।

মৎস্য খাতের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক জরিপ অনুযায়ী বন্যায় মাছ চাষে কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে জরিপ কার্যক্রম চলছে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদী খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে মন্ত্রী জানান, কৃষকরা যাতে উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারেন, সেজন্য সারা দেশে পর্যায়ক্রমে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উৎপাদন এলাকার নিকটবর্তী স্থানে এসব হিমাগার নির্মিত হলে কৃষকদের পরিবহন ব্যয় অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং তারা ফসলের সঠিক দাম পাবেন।

বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারি খাল দখলের কারণে অনেক অঞ্চলে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অবৈধভাবে দখল হওয়া সব সরকারি খাল দ্রুত উদ্ধার এবং নিয়মিত খনন কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের মাঝে বীজ ও উপকরণ বিতরণের পাশাপাশি নিজে ধানবীজ বপনে অংশ নেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026