1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের স্বামী বিদেশ, অন্যের হাত ধরে বেরিয়ে ‘বড় মাশুল’ দিলো জুঁই দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ রোনালদোর মালিকানা গুঞ্জন নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তাপ | Boishakhi Online

জলবায়ু প্রশ্নে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১
  • ২০৫ বার দেখা হয়েছে

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় চলমান বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে (কপ-২৬) বুধবার জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় আগামী দশকে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বেঁধে রাখার জন্য কার্বন গ্যাস নির্গমন কমানোর যে অঙ্গীকার দেশগুলো করেছিল, সে কথা স্মরণ করে ‘একসঙ্গে কাজ করার’ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

ওই লক্ষ্য অর্জনের জন্য চেষ্টার যে ঘাটতি রয়ে গেছে, তাও পূরন করার প্রতিশ্রুতি এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যৌথ ঘোষণায়।

শক্তি তৈরির জন্য যখন জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো হয়, সেখান থেকে বাতাসে মেশে বিভিন্ন কার্বন গ্যাস, এর বেশিরভাগটাই কার্বন ডাইঅক্সাইড। এসব গ্যাস সূর্যের আলো থেকে তাপ ধরে রাখে। ফলে বাড়তে থাকে পৃথিবীর তাপমাত্রা।

এই বাড়তি তাপমাত্রাই বদলে দিচ্ছে জলবায়ু, এক দিনে বরফ গলে যাচ্ছে, আরেক দিকে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা। চরম আবহাওয়া ডেকে আনছে মৃত্যু আর ধ্বংস।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিপর্যয় এড়াতে হলে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির গতি কমিয়ে আনতে হবে। সেজন্য কমাতে হবে কার্বন গ্যাস নির্গমন। ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তিতে বিশ্বনেতারাও তাতে একমত হয়েছিলেন।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনকারী দেশের তালিকায় সবার উপরে রয়েছে চীন আর যুক্তরাষ্ট্র। জলবায়ু সঙ্কট মোকাবেলায় কার্বন গ্যাস নির্গমন কমানোর কোনো উদ্যোগই সফল হবে না, যদি এই দুটো দেশকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা না যায়। তবে নানা ক্ষেত্রে দুই দেশের ভিন্ন অবস্থান এবং সম্পর্কের টানাপড়েনের কারণে এবারের সম্মেলনেই এরকম একটি যৌথ ঘোষণার প্রত্যাশা কেউ করেননি।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঠিক কী সমঝোতা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যৌথ ঘোষণায় যে প্রতিশ্রুতি দুই দেশ দিয়েছে, সেখানেও আহামরি কিছু নেই। কিন্তু দুই দেশ যে একটি সমঝোতায় আসতে পেরেছে, সেটি একটি বড় ঘটনা।

দুই দেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, জলবায়ু সম্মেলনে আসা যৌথ ঘোষণাটি চীনের শীর্ষ জলবায়ু দূত শি জেনহুয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু দূত জন কেরির গত কয়েক মাসের দফায় দফায় বৈঠকের ফসল। গ্লাসগোতে এসেও প্রায় প্রতিদিনই তারা বৈঠকে বসেছেন।

শি জেনহুয়া সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, জলবায়ু সঙ্কট নিয়ে চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতভিন্নতা যা রয়েছে, তার চেয়ে মতৈক্যই বেশি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026