1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার ‘মোটেও ভালো মনে হচ্ছে না’, সাকার চোট নিয়ে চিন্তিত আর্তেতা সারোগেসি পদ্ধতিতে প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় নেদারল্যান্ডসের প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আব্দুল মঈন খান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : স্পিকার রুয়েটের বাসে প্রধানমন্ত্রী, ‘একটা স্নাইপার থাকলেই হতো’ মন্তব্যকারী আটক

দেশের ৮৬ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আড়াই লাখের বেশি নেতা-কর্মী পাবেন রাষ্ট্রীয় সম্মানী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে
ধর্ম ডেস্ক
চলতি অর্থবছরে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা ও কর্মী নিয়মিত মাসিক সম্মানী লাভ করবেন। এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মোট ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় এই সম্মানীর আওতায় দেশের মোট ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজারটি মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩০১টি গির্জা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় দেশের সব ধর্মের উপাসনালয়ে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, যাজক ও সহকারী যাজকদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই সম্মানী বিতরণের সুনির্দিষ্ট কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।
প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট এবং সুষম রূপরেখা অনুসরণ করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি করে মসজিদ এই সুবিধার জন্য বাছাই করা হবে। এছাড়া পৌরসভার ক্ষেত্রে ‘ক’ শ্রেণির প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের আওতায় আসবে ছয়টি করে মসজিদ। অন্যদিকে, হিন্দু ধর্মীয় উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি করে মন্দির নির্বাচন করা হবে। এর পাশাপাশি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একটি করে মন্দির এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত হবে। বাকি মন্দিরগুলো সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে। বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিটি মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং গির্জার প্রধান যাজক মাসিক ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। এছাড়া মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ এবং গির্জার সহকারী যাজকরা প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে সম্মানী লাভ করবেন। অপরদিকে, মসজিদের খাদেমদের জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা সম্মানী নির্ধারণ করা হয়েছে। উপকারভোগীদের মাঝে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে এই অর্থ বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, সম্মানীর পুরো অর্থ কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটি পদ্ধতির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই কল্যাণমুখী কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা আরও সুদৃঢ় করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026