1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার ‘মোটেও ভালো মনে হচ্ছে না’, সাকার চোট নিয়ে চিন্তিত আর্তেতা সারোগেসি পদ্ধতিতে প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় নেদারল্যান্ডসের প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আব্দুল মঈন খান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

নরসিংদীতে দুই মাস বয়সী শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নরসিংদীর মাধবদীতে দুই মাস বয়সী শিশু রিজিককে নির্যাতনের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি চাচি ফারজানা আক্তার লতাকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র‍্যাব-১১-এর একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

শুক্রবার রাতে র‍্যাব-১১ নরসিংদী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এর প্রেক্ষিতে র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে হেফাজতে নেয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ফারজানা আক্তার ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে র‍্যাব জানিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়, মাধবদী থানার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদি গ্রামের বাসিন্দা জহির মিয়া ও সাইফা আক্তারের দুই মাস বয়সী শিশু রিজিককে পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্যাতন করা হয়। ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, শিশুটির পায়ে গুরুতর আঘাত করা হচ্ছে। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ ও ভিডিওর ভিত্তিতে গত ১৪ জুলাই রাতে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন অফিসার রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত ফারজানা আক্তার পলাতক ছিলেন।

এর আগে এই মামলার এজাহারভুক্ত অন্য দুই আসামি ফারজানার স্বামী কাউছার আহম্মেদ ও তার বাবা আলমাছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সকল অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলো।

এই ঘটনার পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর তদারকি করছে। শিশু নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতাকে স্থানীয় সচেতন মহল স্বাগত জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। বর্তমানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সব তথ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি যাচাই-বাছাই করে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026