1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, অবরোধের পর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক খুলনা হয়ে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী সৌদির কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, ১ জনের মৃত্যু ‘প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এযাবৎকালের সেরা পরামর্শ’ | Boishakhi Online মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা চালুর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুলনায় প্রথমবার তারেক রহমান আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে যুক্ত হচ্ছে সুন্দরবনের সাতটি জলজ প্রজাতির ডিএনএ সিকোয়েন্স হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান পরিদর্শন শেষে মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় বানৌজাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাটে-বলে অস্ট্রেলিয়াকে ভুগিয়ে ইয়ানসেনের প্রত্যয়, ‘বারবার ফিরে আসবই’

নাতনির সঙ্গে ৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

বয়স যে কেবলই একটি সংখ্যা, সেটিই যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন চিলির ইভোনে ভিলদোসোলা। ৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই প্রবীণ ব্যাটার। আরও বিশেষ ব্যাপার যে ম্যাচে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক, সেই ম্যাচেই চিলির নারী ক্রিকেট দল ‘লাস লোইকাস’এর অধিনায়ক ছিলেন তার ১৬ বছর বয়সী নাতনি ক্যামিলা ওয়ারসে।

কোস্টারিকার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে চিলির হয়ে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামেন ভিলদোসোলা। অভিষেক ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হলেও তার উপস্থিতিই ছাপিয়ে গেছে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকে।

৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করে ভিলদোসোলা গড়েছেন অনন্য রেকর্ড। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে অভিষেক করা খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। সামগ্রিক পেশাদার ক্রিকেটের ইতিহাসেও তার চেয়ে বেশি বয়সে অভিষেকের নজির খুবই বিরল। ১৯৫০-৫১ মৌসুমে ৭২ বছর বয়সে ভারতের রাজা মহারাজ সিং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন।

ভিলদোসোলার ক্রিকেটযাত্রা অবশ্য খুব বেশি পুরোনো নয়। ২০১৯ সালে চিলির নিউবলে অঞ্চলে ‘লাস লোইকাস’ আয়োজন করেছিল একটি ‘মা-মেয়ে’ ক্রিকেট ইভেন্ট। তৎকালীন চিলি অধিনায়ক জ্যানেট গার্সেসের উদ্যোগে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে ১৬ বছর বয়সী নাতনি ক্যামিলার অনুরোধে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন ভিলদোসোলা।

তখনও ক্রিকেট নিয়ে তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। ভেবেছিলেন, নাতনির বন্ধুদের জন্য রান্না করতেই হয়তো যেতে হবে। কিন্তু প্রথমবার ব্যাট হাতে নেওয়ার পরই বদলে যায় সেই ধারণা। মেয়ে লরেতো ও নাতনি ক্যামিলার অনুপ্রেরণায় এরপর নিয়মিত ক্রিকেট অনুশীলন শুরু করেন তিনি।

নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিলদোসোলা বলেন, তার যৌবনের সময়ে বাস্কেটবল, ভলিবল কিংবা ফুটবল খেলাই ছিল বেশি প্রচলিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো দূরের কথা, কোনো খেলাতেই পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ার কথা তিনি ভাবেননি। তবে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার আগ্রহ থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তিনি। তার কাছে জয়ের চেয়ে অংশগ্রহণই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বয়সের কারণে দলের তরুণ সতীর্থদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয় বলেও মজা করে জানিয়েছেন ভিলদোসোলা। তিনি বলেন, জয়েন্টের সমস্যার কারণে বোলিং করতে পারেন না, তাই ব্যাটিংই তার পছন্দ। তবে নিজের নাতনির অধিনায়কত্বে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগকে তিনি গর্ব ও মর্যাদার বিষয় হিসেবে দেখছেন।

নাতনি ও চিলিয়ার অধিনায়ক ক্যামিলা ওয়ারসের কাছেও অভিজ্ঞতাটি ছিল ব্যতিক্রমী। তিনি বলেন, তার নানি সবসময়ই চঞ্চল ছিলেন, কিন্তু কখনো ভাবেননি যে একদিন তিনি নানির সঙ্গে একই দলের সতীর্থ হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন। মাঠে নানির উপস্থিতি দলের অন্য খেলোয়াড়দের জন্যও বড় অনুপ্রেরণা বলে মনে করেন ক্যামিলা।

নানিকে মাঠে নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুত লাগলেও নাতনির কাছে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতাটি ছিল অসাধারণ আনন্দের।

চিলির স্থানীয় একটি পাখির নাম থেকে ‘লাস লোইকাস’ নামটি নেওয়া হয়েছে। সেই দলের জার্সি গায়ে ৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভিলদোসোলার অভিষেক যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল খেলার প্রতি ভালোবাসা থাকলে বয়স কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026