1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার ‘মোটেও ভালো মনে হচ্ছে না’, সাকার চোট নিয়ে চিন্তিত আর্তেতা সারোগেসি পদ্ধতিতে প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় নেদারল্যান্ডসের প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আব্দুল মঈন খান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

বাংলাদেশ ও চীনের সামরিক সম্পর্ক ও কৌশলগত বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উভয় দেশ নতুন করে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এ সময় দুই দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সাক্ষাৎকারের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং চীনের রাষ্ট্রদূত পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘমেয়াদী সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান। উভয় পক্ষই মনে করে, এশীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বর্তমান প্রতিরক্ষা সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বৈঠকে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং সরঞ্জামাদি বিনিময়ের বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে অবদান রেখে আসছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে এবং বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়ন ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার আশ্বাস প্রদান করেন।

কৌশলগত বন্ধনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেবল বাণিজ্যিক নয়, বরং এটি একটি সুদৃঢ় প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব। সামরিক কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনী খাতে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে। বৈঠকে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে একে অপরের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য রক্ষা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে বেইজিং ও ঢাকার এই ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই কৌশলগত বন্ধন আগামীতে আরও নিবিড় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে চীনের অগ্রসরতা বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ অর্জনে সহায়ক হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে উভয় পক্ষই এই মর্মে একমত হন যে, নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফর এবং সামরিক সংলাপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। শেষে দুই দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারের মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026