1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের স্বামী বিদেশ, অন্যের হাত ধরে বেরিয়ে ‘বড় মাশুল’ দিলো জুঁই দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ রোনালদোর মালিকানা গুঞ্জন নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তাপ | Boishakhi Online

ভারতে চিকিৎসা: বহু বাংলাদেশির কিডনি চুরি!

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪
  • ২১৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক       ডেস্ক

 

উন্নত চিকিৎসার আশায় বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে ভারতে যান। কম খরচে ভালো সেবা পেতেই দেশটিতে যান বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে অনেকেই প্রতারিত হন বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে। আবার কেউ কেউ অভিযোগ তোলেন হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসকের ওপর। তবে, সম্প্রতি এক ঘটনায় ভারতে চিকিৎসার ব্যাপারে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে।

 

অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন ব্যক্তির কিডনি চুরির অভিযোগে নয়াদিল্লি-ভিত্তিক ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে নয়াদিল্লি-ভিত্তিক ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। ৫০ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের নাম ডা. বিজয়া কুমার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপোলো হাসপাতালের ওই নারী চিকিৎসক নয়াদিল্লি সংলগ্ন নয়ডা শহরে ‘যথার্থ’ নামের একটি হাসপাতালে অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন ব্যক্তির কিডনি সরিয়েছেন। তিনি ‘যথার্থ’ হাসপাতালের ভিজিটিং কনসালটেন্ট ও সার্জন ছিলেন।

আরো পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে সশস্ত্র হামলা, ৫ সেনা সদস্য নিহত

অভিযোগ রয়েছে যাদের কিডনি সরিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ের মধ্যে এসব অপারেশন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

দিল্লি পুলিশের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সক্রিয় এই চক্র মধ্যবর্তী ব্যক্তি বা দালালদের মাধ্যমে দরিদ্র বাংলাদেশিদের অর্থের লোভ দেখিয়ে নয়াদিল্লির আশপাশের কিছু হাসপাতালে নিয়ে আসত। সেসব হাসপাতালে চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বাংলাদেশিদের কিডনি অপসারণ করতেন।

দিল্লিতে একাধিক কিডনি পাচারকারী চক্র সক্রিয়। সেই চক্রের সঙ্গে জড়িত গত মাসে এমন তিন বাংলাদেশি নাগরিককেও গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও অর্থের বিনিময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে, কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কাউকে যদি কিডনি বা অন্য কোনো প্রত্যঙ্গ দিতে চান, তাহলে তা বৈধ।

চক্রটি দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সিলমোহর নকল করে ডোনারের জাল অনুমতিপত্র তৈরি করত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026