1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের মরিয়া কূটনীতি, ফের ত্রিমুখী শান্তি আলোচনায় পুতিনের সম্মতি নরসিংদীতে ডাইং মিলের বয়লারে আগুন, দগ্ধ ৫ জন ঢাকা মেডিকেলে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি পুতিন ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে বিব্রতকর বিদায় বাংলাদেশের স্বামী বিদেশ, অন্যের হাত ধরে বেরিয়ে ‘বড় মাশুল’ দিলো জুঁই দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ রোনালদোর মালিকানা গুঞ্জন নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তাপ | Boishakhi Online

যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি লঙ্ঘনে সমমানের জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র যদি চলমান শান্তিচুক্তি লঙ্ঘন করে, তবে তার উপযুক্ত ও ‘পারস্পরিক জবাব’ দেওয়ার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতার মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর বার্তা আসায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, ইরানি জাতির পূর্ণ অধিকার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের অবস্থান থেকে সরবে না। বিবৃতিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চুক্তির কোনোরকম বিচ্যুতি বা লঙ্ঘন ঘটে, তবে পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অবিলম্বে একটি পাল্টা ও সমমানের জবাব কার্যকর করা হবে। ইরানের এই অবস্থানকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের সমঝোতার আভাস মিললেও, ইরানের এই নতুন বিবৃতি ইঙ্গিত দেয় যে সম্পর্কের বরফ পুরোপুরি গলেনি। ইরান মূলত নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো সম্ভাব্য মার্কিন আগ্রাসন বা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান বজায় রাখতে চাইছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই হুঁশিয়ারি শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সতর্কবার্তা নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আঞ্চলিক প্রভাব ধরে রাখার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে যেকোনো নতুন উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথগুলোর স্থিতিশীলতা এই দুই দেশের সম্পর্কের ওঠানামার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল মনে করছে, ইরানের পক্ষ থেকে সমমানের জবাব দেওয়ার যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় জোরদার করা কিংবা আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তায় পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে কোনো পক্ষই সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে ইচ্ছুক নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তেহরানের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক যোগাযোগের গতিপ্রকৃতির ওপরই নির্ভর করছে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026