1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মঈন খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল : ডা. জাহিদ ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’—ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই যুবক আটক প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলেন হৃদয় অবৈধ ফোন বন্ধে দুই ধাপে চালু হচ্ছে এনইআইআর, ব্যবস্থা নিচ্ছে বিটিআরসি বাংলাদেশকে নিয়ে সমালোচনা করতে চান না আফগানিস্তান কোচ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ-সেরা হওয়ার পর নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া পেসার

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেলেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৮১ বার দেখা হয়েছে

 

আইন আদালত ডেস্ক

সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করেছে এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামকে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, International Crimes (Tribunals) Act, 1973 (ACT NO. XIX OF 1973) এর Section 7 অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলা পরিচালনার জন্য মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত চিফ প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো এবং একই সঙ্গে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নিয়োগ সংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

পটভূমিতে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের মামলার পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদান করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা ১৯৭৩ সালের International Crimes (Tribunals) Act অনুযায়ী পরিচালিত হয়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত একটি স্বতন্ত্র আদালত। এই ট্রাইব্যুনাল মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার পরিচালনা করে। চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব হলো মামলার তদন্ত, প্রসিকিউশন এবং ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

মো. আমিনুল ইসলামের নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের মামলার পরিচালনায় নতুন নেতৃত্বের প্রবেশ ঘটেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিফ প্রসিকিউটরের পরিবর্তন ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলা ও বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই নিয়োগ পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, ফলে মামলার স্বাভাবিক কার্যক্রম ও চলমান প্রসিকিউশন কার্যক্রমে নিরবচ্ছিন্নতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা দেশের আইনি ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। স্বাধীনতার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচার, ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড মেনে চলার দায়িত্ব ট্রাইব্যুনালের ওপর নির্ভরশীল। চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করা হয়।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান সময়ে চিফ প্রসিকিউটরের পদে এই পরিবর্তন ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক ও ভবিষ্যৎ মামলার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে বিচার কার্যক্রমের গতি, মামলার পরিচালনার মান এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সামঞ্জস্য রক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সার্বিকভাবে, এই পদোন্নতি ও পরিবর্তন বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে চিফ প্রসিকিউটরের ভূমিকা অপরিহার্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026