ভারতে আটক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার রাতেই স্থানীয় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। সোহেলের কাছ
গ্রাহকের ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন: ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া
নিজস্ব প্রতিবেদকপণ্য সরবরাহ করতে না পেরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সিরাজগঞ্জ শপ ও আলাদিনের প্রদীপ গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে শুরু করেছে। গ্রাহকেরা যেই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পণ্য কেনার জন্য টাকা দিয়েছিলেন, সরকারি
আস্থার সঙ্কটে ই-কমার্স নানামুখী প্রতারণা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে একযোগে কাজ করছে সরকারের নয় সংস্থা রহিম শেখ ॥ বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ঘরে বসে অনলাইনে পণ্য কেনাকাটা বা ই-কমার্স
বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নাম দ্য ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্ট (বিআইএস)। প্রতিষ্ঠানটি মূলত আন্তর্জাতিক আইনের পৃষ্ঠপোষকতায় কাজ করে। এবার সীমান্তবহির্ভূত লেনদেনকে সহজ করতে ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার পরীক্ষা করে দেখছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বিআইএস। এজন্য অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ আফ্রিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে জোট গঠন করেছে সংস্থাটি। যে ডিজিটাল মুদ্রার কথা বলা হচ্ছে, তার নাম দেয়া হয়েছে সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সিজ (সিবিডিসি)।
দুলাল হোসেন কম দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভনে লাখ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়া ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির নথিপত্র চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের স্বার্থে
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ক্লিন ফিড ছাড়া (বিজ্ঞাপনমুক্ত) বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেল দেশে সম্প্রচার চালাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কেবল
নিজস্ব প্রতিবেদক ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির তথ্য-উপাত্ত চেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংস্থাটির সচিব মু আনোয়ার হোসেন
জাফর আহমদ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ই-কমার্স বিকশিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কিছু ই-কমার্স কোম্পানির অনৈতিক কার্যক্রমের কারণে শুরুতেই ই-কমার্সের ওপর মানুষের অবিশ্বাস আর অনাস্থা তৈরি হয়েছে। ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, এসসিপি
ঘরে বসে পণ্য কেনা বাংলাদেশে এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। করোনাকাল এটিকে পৌঁছে দিয়েছে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে, পোষাক-পরিচ্ছদ, প্রশাধনী, অলংকার, আসবাবপত্র, গাড়ী, বইপত্র, ওষুধ, জমি, ফ্ল্যাট সবই কেনাকাটা