1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত এসএসসিতে অকৃতকার্যদের জন্য আসছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন পলিসি : মাহদী আমিন টঙ্গীতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করল বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ভয়াবহ ক্ষতির শঙ্কা সুন্দরগঞ্জে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত নানা কর্মসূচি, সিভাসুতে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ বিদ্বেষমূলক বার্তার শিকার আর্জেন্টিনা, জানাল ফিফা ইবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এআই ভিত্তিক সেমিনার তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার নতুন বাংলাদেশ গঠনে ভাসানী দম্পতির আদর্শ প্রেরণা জোগাবে: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ বিদ্বেষমূলক বার্তার শিকার আর্জেন্টিনা, জানাল ফিফা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

প্রায় তিন মাস আগে শেষ হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল। হঠাৎ এ সময় ফিফা একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনের প্রকাশ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক বার্তার প্রসঙ্গে। যে তালিকায় সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার আর্জেন্টিনা। আসরে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যতই এগিয়েছে, এই বিদ্বেষের মাত্রা ততই বেড়েছে। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসকে সামনে রেখে ‘সোশ্যাল মিডিয়া প্রোটেকশন সার্ভিস’ এই গবেষণাটি পরিচালনা করে। এতে ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়, যার আওতায় এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক এবং টিকটকের ১ কোটি ৭১ লাখেরও বেশি পোস্ট ও মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে ফিফা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার পর সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হওয়া দলগুলোর তালিকায় ছিল ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল এবং নরওয়ে। বিশেষ করে কোচ স্কালোনিকে নিয়ে সমালোচনার মূল বিষয় ছিল রেফারির কাছ থেকে কথিত পক্ষপাতমূলক সহায়তা পাওয়ার অভিযোগ। আর এই সমালোচনার মধ্যে ছিল তীব্র বিদেশ-বিদ্বেষ বা জেনোফোবিয়ার সুর। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত আক্রমণের ক্ষেত্রে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের খেলোয়াড়দের পরেই চতুর্থ স্থানে ছিল আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। এক্ষেত্রে আক্রমণের প্রধান কারণ ছিল বর্ণবাদ, যা মূলত কিছু খেলোয়াড়ের আফ্রিকান বংশোদ্ভূত পরিচয়ের ওপর কেন্দ্র করে চালানো হয়েছিল। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি হেনস্তার শিকার হওয়া খেলোয়াড়ের পরিচয় গোপন রাখা হলেও, তিনি বর্ণবাদ, সমকামী-বিদ্বেষ (হোমোফোবিয়া), লিঙ্গবৈষম্য এবং রূপান্তরকামী-বিদ্বেষের (ট্রান্সফোবিয়া) শিকার হয়েছিলেন। বিদেশ-বিদ্বেষমূলক আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সাউথ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড। এসব আক্রমণের বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় এবং দলের গঠনশৈলী। তবে আর্জেন্টিনা নিজেও এই ধরনের বিদ্বেষ ছড়ানোর ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিল না। বর্ণবাদী বার্তা পাঠানোর তালিকায় তারা শীর্ষে ছিল। অবশ্য সামগ্রিক বা সাধারণ প্রকৃতির আক্রমণের সংখ্যার বিচারে ইউরোপ ছিল সবার আগে, যার ঠিক পরেই ছিল সাউথ আমেরিকা। সবচেয়ে গুরুতর হুমকিগুলো এসেছিল রেফারিদের বিরুদ্ধে। এছাড়া ডক্সিংয়ের শিকারও সবচেয়ে বেশি হয়েছিলেন তারাই, যার অর্থ হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করা। দুর্নীতি ও ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের সন্দেহই ছিল এসব আক্রমণের মূল কারণ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026