1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষকতা কখনই উপায়হীন বিকল্প হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

যৌন সহিংসতার দায়ে জাতিসংঘের কালো তালিকায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৮
  • ২৭৬ বার দেখা হয়েছে


সশস্ত্র সংঘাতের সময় যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগে এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের একটি কালো তালিকায় উঠে এসেছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নাম।
যুদ্ধ-সংঘাত সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতার ওপর জাতিসংঘ মহাসচিবের এক রিপোর্টে এ তালিকাটি উপস্থাপন করা হয়।
নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডায় যেসব সামরিক সংঘাত আছে সেখানে ‘ধর্ষণ বা অন্য কোন ধরণের যৌন সহিংসতা চালানোর জন্য বা এর জন্য দায়ী পক্ষগুলোর’ এই তালিকায় মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের কাছে উপস্থাপিত এবং অনলাইনে প্রকাশিত রিপোর্টটিতে বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ২০১৬ সালের অক্টোবর এবং ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর যে অভিযান চালায় – সেই সময় এসব যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘ পরে ওই অভিযানকে ‘জাতিগত শুদ্ধি অভিযান’ বলে বর্ণনা করে।

একটি রোহিঙ্গা গ্রামে আগুন জ্বলছে
রিপোর্টে বলা হয়, যৌন সহিংসতা ওই অভিযানের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল হুমকি ও ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা এবং তারা যাতে ফিরে না আসে তা নিশ্চিত করা।
এর পর প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা পালিয়ে সীমান্তর ওপারে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
রিপোর্টে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণের একাধিক ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026