1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এক কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভ্রমণ কোটায় একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রি করতে পারবে মানি এক্সচেঞ্জ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজে র‌্যালি সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন | Boishakhi Online প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের বৈঠক ঢাকা ও গাজীপুরের সড়ক–ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সরকারকে আইনি নোটিশ প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের বাংলাদেশ মডেল নিয়ে আগ্রহ নেপালের এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

বিএনপির তফসিলবিরোধী আন্দোলন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৩ বার দেখা হয়েছে

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হয়েছে। ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। ২ হাজার ৭৪১ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ৪ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে বৈধতা পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৫ জন প্রার্থী। ৭৩১ জনের মনোনয়নপত্র ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে। এসব আবেদনপত্রের এখন শুনানি চলছে। তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে অবস্থান করছে দেশ। ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। আগামী ৭ জানুয়ারি তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনকারীরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তারা ঘোষিত তফসিল বাতিলের দাবি নিয়ে মাঠে আন্দোলন করছে। সপ্তাহে চার দিন হরতাল বা অবরোধ ডাকা হচ্ছে।

 

কিন্তু এসব হরতাল বা অবরোধ শুরু থেকেই ঢিলেঢালাভাবে পালিত হচ্ছিল। এখন যানবাহন, অফিস-আদালত, দোকানপাট অনেকটাই স্বাভাবিক আছে। তবে বিএনপি গত ২৮ অক্টোবরের পর থেকে মাঠে সক্রিয়ভাবে নেই। অনেক নেতাই কারাগারে, আবার অনেকে আত্মগোপনে আছেন। বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু কিছু ঝটিকা মিছিল হতে দেখা যাচ্ছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় কিছু কিছু যাত্রীবাহী বাস এবং পণ্য পরিবাহী ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে, ট্রেনেও করা হয়েছে। তাতে জনমনে কিছুটা ভীতি আছে।

যাত্রীবাহী বাস কিছুটা পরিহার করা হচ্ছে। এসব অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত অনেককেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। সে কারণে বিএনপি হরতাল ও অবরোধে মাঠে খুব একটা সক্রিয় নেই।

প্রেসক্লাব, বিজয়নগর সড়ক, তোপখানা রোডে গণতন্ত্র মঞ্চ এবং অন্যান্য দলের স্বল্পসংখ্যক নেতা-কর্মীকে মিছিল ও বক্তৃতা করতে দেখা যায়। বিএনপির মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী আহমেদ অনলাইনে প্রতিদিন আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তাঁদের চলমান আন্দোলন সফল হবে, নির্বাচন প্রতিহত করা হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না, বিএনপি কীভাবে নির্বাচন প্রতিহত করবে।

 

রাজনীতিসচেতন মানুষ মনে করছে, বিএনপির সঙ্গে যেহেতু জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কিছু ইসলামি রাজনৈতিক দল রয়েছে, তাই এদের সবার সম্মিলিত শক্তি দিয়ে নির্বাচনের আগে আগে নির্বাচন পণ্ড করার জন্য তারা বড় ধরনের কোনো সহিংসতা করতে পারে। এরই মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। ককটেল বানানোর সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে ধরাও হয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ভেতরে-ভেতরে নির্বাচনের আগমুহূর্তে সহিংস হয়ে ওঠার মতো কোনো ঘটনা ঘটতেও পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026