1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দীপ্ত টিভির তানজিল হত্যা: মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনকে মামলায় সম্পৃক্ত করার আবেদন খারিজ সূচকের পতনে লেনদেন শেষ ৫৩৭ কোটি টাকা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী শেষ ওভারের রোমাঞ্চে শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ খেলাপি ঋণ কমাতে শীর্ষ ঋণখেলাপিদের টার্গেট বাংলাদেশ ব্যাংকের এমপি নজরুলের দ্বিতীয়পত্নীর আত্মহত্যা: মামা ওবায়দুর রিমান্ড শেষে কারাগারে ঢাকা মেডিকেলের টয়লেটে যার লাশ ঝুলছিল, তিনি বারডেমের নার্স শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যাংক বন্ধ নয়, সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চলছে: বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষকতা কখনই উপায়হীন বিকল্প হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন জুনে করোনায় ২২ এবং ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ১৮৭ বার দেখা হয়েছে

 

অনলাইন ডেস্ক

 

চলতি বছরের জুন মাসে হঠাৎ করেই করোনা ও ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, জুনে করোনায় ২২ জন এবং ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে এক মাসে সর্বোচ্চ।

ডেঙ্গুর পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারিতে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু এবং এক হাজার ১৬১ জন হাসপাতালে, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জনের মৃত্যু এবং ৩৭৪ জন হাসপাতালে, মার্চে কারো মৃত্যু না হলেও ৩৩৬ জন হাসপাতালে, এপ্রিলে ৭ জনের মৃত্যু এবং ৭০১ জন হাসপাতালে, মে মাসে ৩ জনের মৃত্যু এবং এক হাজার ৭৭৩ জন হাসপাতালে, জুনে সর্বোচ্চ ১৯ জনের এবং ৫ হাজার ৯৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ২৯৬ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৭ জন। মারা গেছেন ৪২ জন।

এদিকে, চলতি বছরে হঠাৎ করে করোনার প্রকোপ বেড়ে যায়। সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে আইসিডিডিআরবি নতুন দুটি সাব-ভ্যারিয়েন্ট এক্সএফজি এবং এক্সএফসি বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরেছে।

জুন মাসের প্রথম ১০ দিনে ১৪টি জিনোম সিকুয়েন্স করা হয়। এর মধ্যে ১২টিতেই এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, যা ওমিক্রন জেএন.১-এর একটি উপশাখা। সম্প্রতি যেসব নমুনা পাওয়া যাচ্ছে, এর প্রায় সবকটিতে এক্সএফজি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

চলতি বছরের জুনে ১ হাজার ৪০৯ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৩৪ জন করোনা শনাক্ত হন। মৃত্যু হয় ২২ জনের। অবাক করার বিষয় হলো চলতি বছরে মারা যাওয়া ২২ জনই জুন মাসে মারা যান।

করোনা শুরুর পর থেকে দেশে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৫২ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৫২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার নতুন এই ধরনের সংক্রামিত করার ক্ষমতা বেশি হলেও রোগের তীব্রতা কম। তবে অসাবধানতা এবং অচেতনতায় ধরনটি যেকোনো সময় শক্তিশালীও হয়ে উঠতে পারে। তাই সবাইকে যথেষ্ট সচেতন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

 

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026