1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২ পেসার নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ মালদ্বীপে পৌঁছেই প্রবাসীর মৃত্যু, পরদিন মারা গেলেন আরেকজন বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ : বাংলাদেশের জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা, বাস্তব পরিবর্তন দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পুরান ঢাকা, বেড়েছে সাজসজ্জার খরচ প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শনে পরিবেশমন্ত্রী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট: জয়পুরহাট সদরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কালাই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যাটিং বিপর্যয় ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট পতন দ. আফ্রিকার তোপ সামলে লড়ছে অস্ট্রেলিয়া রূপপুর থেকে দ্রুত জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ: রোসাটম মানসিক অসুস্থতা ঘিরে কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

হিমাচলে বৃষ্টি, ধস আর বানে ৭২ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫০ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অনলাইন  ডেস্ক

 

ভারতের হিমাচল প্রদেশের ১০ জেলায় আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল রাজ্যটির আবহাওয়া দফতর। রবিবার রাজ্যের তিন জেলা কাংড়া, সিরমৌর এবং মন্ডিতে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অন্য দিকে, উনা, বিলাসপুর, হামিরপুর, চম্বা, সোলান, শিমলা এবং কুল্লুতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ১১৫.৬ মিলিমিটার থেকে ২০৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে সেটিকে অতিভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়। ২০৪.৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে সেটিকে অতি অতি ভারী বৃষ্টি হিসাবে ধরা হয়।

হিমাচল রাজ্য প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, মেঘভাঙা বৃষ্টি, ধস এবং হড়পা বানে গত ২০ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ৪০ জন। আহতের সংখ্যা শতাধিক।

হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংহ সুখু জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে ১৪টি মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। তার জেরে হড়পা বান এবং ধসে বহু বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ইমারতের। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে এখনও পর্যন্ত ৭০০ কোটির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যে মোট ২৬০টি রাস্তা বন্ধ। তার মধ্যে কোনওটি হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে। কোনওটিতে ধস নেমে পুরোপুরি বন্ধ। কোনও রাস্তা আবার প্লাবিত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে যোগীন্দরনগরে (৫২ মিমি), তার পর নাহান এবং পালমপুরে (২৮.৮ মিমি) পাওতাঁ সাহিব (২১ মিমি), উনা (১৮ মিমি), কাংড়া (১৫ মিমি)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৮ জুলাই পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। তবে বৃষ্টি চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026