1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না বুধবারেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি সই করছে বিমান, চুক্তি হবে রেডিসনে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক শুরু ৮ অক্টোবর দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অংশীদারত্ব জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ মেসির বিদায়ী ম্যাচ আজ; বাংলাদেশ সময় কখন? মোবাইলে দেখবেন যেভাবে বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা পাকিস্তানকে আবারও হারিয়ে ফাইনালের পথে বাংলাদেশ

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিএনপি মহাসচিবের শঙ্কা ও শ্রদ্ধা নিবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, নতুন করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে এবং ভবিষ্যতে আরও সহিংস ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার সকালে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা করছে। তিনি জানান, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক সহিংসতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে, যা চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় বক্তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সংঘটিত বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক বেদনাবিধুর অধ্যায়। স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে দেশের বরেণ্য শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও অন্যান্য পেশাজীবী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এর উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা এবং রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির ওপর যে ক্ষতি নেমে আসে, তার প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হয়েছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে গভীর গুরুত্ব বহন করে। প্রতি বছর এই দিনে জাতি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনর্নবীকরণের অঙ্গীকার করে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

এ বছরও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন, ছাত্র, যুব ও নারী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পাশাপাশি শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভাগুলোতে বক্তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তারা বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও মূল্যবোধ ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতার আশঙ্কা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের মতো একটি ঐতিহাসিক দিনে রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের প্রশ্নটি সামনে আসায় বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার জন্য অপরিহার্য।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতি আবারও স্মরণ করছে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সেইসব মেধাবী মানুষদের, যাদের অবদান ও ত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026