1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এক কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভ্রমণ কোটায় একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রি করতে পারবে মানি এক্সচেঞ্জ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজে র‌্যালি সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন | Boishakhi Online প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের বৈঠক ঢাকা ও গাজীপুরের সড়ক–ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সরকারকে আইনি নোটিশ প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের বাংলাদেশ মডেল নিয়ে আগ্রহ নেপালের এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে সামরিক বিকল্প ভাবনায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে। হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বুধবার (৭ জানুয়ারি) জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এ দ্বীপটির গুরুত্ব রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন আর্কটিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করতে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছেন। হোয়াইট হাউস জানায়, এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন হলে মার্কিন সেনাবাহিনী ব্যবহারের বিষয়টিও আলোচনার বিষয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের পর ইউরোপের একাধিক দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনসহ ছয়টি দেশ যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একমাত্র অধিকার রয়েছে গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও ডেনমার্কের। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিকল্পের সম্ভাবনার বিষয়ে সমালোচনা জানিয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনও আন্তর্জাতিক আইন ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার নীতি মেনে সম্মানজনক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সংলাপ ও বৈধ প্রক্রিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আর্কটিক অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যপথ এবং বিরল খনিজ সম্পদের কারণে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে রাশিয়া ও চীনও আঞ্চলিক আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বীপটির ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা আনুমানিক ৫৭ হাজার। যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ নতুন নয়, তবে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ন্যাটো মিত্রদের মধ্যে এই অবস্থান কূটনৈতিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কতদূর এগোবে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক ও গ্লোবাল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কী প্রভাব ফেলবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এসব প্রশ্নের পূর্ণ উত্তর সময়ের সঙ্গে প্রকাশ পাবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026