1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এক কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভ্রমণ কোটায় একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রি করতে পারবে মানি এক্সচেঞ্জ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজে র‌্যালি সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন | Boishakhi Online প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের বৈঠক ঢাকা ও গাজীপুরের সড়ক–ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সরকারকে আইনি নোটিশ প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের বাংলাদেশ মডেল নিয়ে আগ্রহ নেপালের এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

ভেনেজুয়েলায় মাদুরোকে সমর্থন প্রত্যাহার নিয়ে রাশিয়ার সম্ভাব্য প্রস্তাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি রাশিয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে তৎকালীন মার্কিন উপদেষ্টা ফিওনা হিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের ওপর থেকে রাশিয়ার সহায়তা প্রত্যাহার করানো। এ প্রসঙ্গে হিলের বিবৃতি এবারের সপ্তাহে পুনরায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

হিলের মতে, ২০১৯ সালে রাশিয়ার কর্মকর্তারা মার্কিন কংগ্রেসে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইউক্রেনে হস্তক্ষেপের অবাধ সুযোগ পেলে ক্রেমলিন ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করতে রাজি। হিল এসময় মার্কিন কংগ্রেসে বলেছেন, রাশিয়া ‘ভেনেজুয়েলা এবং ইউক্রেনের মধ্যে অদ্ভুত বিনিময় ব্যবস্থার’ ধারণা বারবার উত্থাপন করেছিল। হিলের দাবি অনুযায়ী, রাশিয়া তাদের সংবাদমাধ্যমে মনরো নীতির উল্লেখ করে এই ধারণা প্রচার করেছিল। মনরো নীতি অনুসারে ১৯ শতকের যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধে ইউরোপীয় হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করত, এবং বিনিময়ে ইউরোপীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করতে সম্মত হত।

হিল জানিয়েছেন, রাশিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব না থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনভ বারবার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি রাশিয়াকে ইউরোপে তার ইচ্ছামতো কাজ করতে দেয়, তবে রাশিয়াও যুক্তরাষ্ট্রকে ভেনেজুয়েলায় অবাধ সুযোগ দেবে। হিল এ প্রসঙ্গে বলেছেন, সে সময় অনেক ইশারা ও গোপন প্রস্তাব ছিল, তবে যুক্তরাষ্ট্রের কেউ সেগুলোতে আগ্রহী ছিলেন না।

২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হিলকে মস্কো পাঠিয়ে এই বার্তা পৌঁছে দিতে বলেন। হিল জানান, তিনি রুশ কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন, “ইউক্রেন এবং ভেনেজুয়েলা একে অপরের সাথে সম্পর্কিত নয়।” সেই সময় হোয়াইট হাউস ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদোকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে মিত্রদের সঙ্গে একমত হয়েছিল।

বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিয়েছে। হিলের মতে, ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড কিয়েভের মিত্রদের জন্য ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার পরিকল্পনাকে ‘অবৈধ’ বলে নিন্দা জানানো কঠিন করে দিয়েছে। হিল বলেন, “আমরা এমন একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি যেখানে যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্য দেশের ক্ষমতা দখল করেছে বা অন্তত সেই দেশের সরকারকে হঠিয়ে দিয়েছে।” ট্রাম্প প্রশাসন এই অভিযানকে ‘আইন প্রয়োগকারী অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং মাদুরোকে গ্রেপ্তারের বৈধতা জোর দিয়ে দাবি করেছে।

এছাড়া, হিলের এই মন্তব্যের বিষয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসনের’ নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার সামরিক অভিযান নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিক পরিমণ্ডলে বড় দেশগুলো কীভাবে নিজেদের প্রভাব বলয়ে সাজানো অবস্থান গ্রহণ করে তা স্পষ্ট করে। হিলের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো স্বার্থের ভিত্তিতে মধ্যস্থতা বা প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026