1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ

তজুমদ্দিনে প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণ: মূল অভিযুক্তসহ তিনজন গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মো. রাকিবসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. রাকিব, একই এলাকার মো. জুয়েল এবং উপজেলার মাওলানাকান্দি এলাকার আল আমিন সম্রাট। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে মো. রাকিবকে ঘটনার মূল হোতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার নারী শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সময় ও স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, প্রতিবন্ধী নারীরা বিভিন্ন সময় সহিংসতা ও নির্যাতনের ঝুঁকিতে থাকেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের মাধ্যমে মামলাটি বিচারিক প্রক্রিয়ায় অগ্রসর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026