1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত ডিআরএমসি আন্তর্জাতিক টেক কার্নিভালের উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রীর ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা: মন্ত্রীদের কার্যক্রম মূল্যায়নের উদ্যোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৭১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার পরিচালনায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নীতিগত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য ১৮০ দিনের একটি নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত এই ১৮০ দিনের সময়সীমার মধ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা, নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সময়কে একটি মূল্যায়ন পর্ব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনের দক্ষতা, প্রশাসনিক কার্যকারিতা এবং জনমুখী উদ্যোগ পর্যালোচনা করা হবে।

নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস বা প্রশাসনিক সমন্বয়ের মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রশাসনের কার্যকারিতা মূল্যায়নের একটি পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এতে মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মসম্পাদন, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং জনসেবার অগ্রগতি তুলনামূলকভাবে পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে।

সরকার ঘোষিত এই কর্মপরিকল্পনায় তিনটি বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎসহ জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব খাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রশাসনিক সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে তাদের নিজস্ব খাতভিত্তিক কর্মসূচি নির্ধারণ করে বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে নীতি বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সরকার পরিচালনায় কিছু ব্যয়সংকোচনমূলক পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়, সরকারি গাড়িবহর ব্যবস্থাপনায় সংযম এবং প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর মতো বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারি দপ্তরগুলোতে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন বৈঠক ও সমন্বয় কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের কার্যক্রম পর্যালোচনার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সরকারি কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিকতা কমানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর সংক্রান্ত প্রটোকল ব্যবস্থাপনায়ও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরে বিদায় ও অভ্যর্থনার আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করে নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার উপস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা কমানো এবং প্রটোকল ব্যবস্থাপনাকে আরও সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার পরিচালনায় নতুন উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা দীর্ঘমেয়াদে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে। তারা মনে করেন, ঘোষিত কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি ভবিষ্যতে সরকারের কার্যকারিতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্ধারিত সময়সীমাভিত্তিক এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের ফলাফলই আগামী সময়ে সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026