1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী বিদেশ ভ্রমণে মানি চেঞ্জার থেকে নেওয়া যাবে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

সরকার নির্বাচন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০,০০০ টাকা ভাতা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ইমাম ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন ৩,০০০ টাকা এবং খাদেম ২,০০০ টাকা পাবেন। মসজিদের বাইরে অন্যান্য ধর্মের জন্যও ভাতা দেওয়া হবে।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮,০০০ টাকা। এর মধ্যে পুরোহিত ৫,০০০ টাকা এবং সেবাইত ৩,০০০ টাকা পাবেন। বৌদ্ধ বিহারের জন্যও একইভাবে ৮,০০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫,০০০ টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩,০০০ টাকা পাবেন।

খ্রিস্টান চার্চের জন্যও প্রতি চার্চে ৮,০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রধান পালক/যাজক ৫,০০০ টাকা এবং সহকারী পালক/যাজক ৩,০০০ টাকা পাবেন।

উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, এই ভাতা প্রকল্পের লক্ষ্য হলো দেশের ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা করা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের এই উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সরকারি ভাতা ব্যবস্থা ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং সম্পূর্ণ ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে নিরীক্ষণ ও মানদণ্ড স্থাপন করা প্রয়োজন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এবং নিয়মিত ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ভাতা যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026