1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তালিকা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৩ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় চাঁদাবাজি প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়ার পর দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। ডিজিএফআই, এনএসআই এবং পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী গত এক সপ্তাহ ধরে সরেজমিন তথ্য সংগ্রহে তৎপর। এই তথ্যের মধ্যে রয়েছে চাঁদাবাজদের পরিচয়, তাদের নেপথ্যের সমর্থক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এবং ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে সংগৃহীত বিস্তারিত তথ্য।

পুলিশের আইজি মো. আলী হোসেন ফকির মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “চাঁদাবাজির সঙ্গে যে কেউ জড়িত থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং হাতে পেলে সঙ্গে সঙ্গে অভিযান শুরু করা হবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য জানান, ঈদের মৌসুমকে সামনে রেখে চাঁদাবাজরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নগরীর বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে প্রতিদিন প্রতিটি বাস থেকে একশ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই তথ্য চাওয়ায় তালিকাটি যথাযথভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সম্প্রতি গণ-অভ্যুত্থানের পর চাঁদাবাজরা রাজনৈতিক দলগুলোর নাম ভাঙিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় হয়েছে। নগরীর রাস্তা, ফুটপাত, নদীর বালুমহালসহ বিভিন্ন জায়গা তারা দখল করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গুলিস্তান এলাকা থেকেই বার্ষিক চাঁদাবাজির পরিমাণ অন্তত অর্ধশত কোটি টাকা। এই অবৈধ দখলদারিত্ব শহরে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের সুযোগ তৈরি করছে।

সম্প্রতি রাজধানীর পল্টন ও গুলিস্তান এলাকায় দখল ও চাঁদাবাজির পেছনে কিছু ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে বলে গোয়েন্দাদের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। ১২ অক্টোবর চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও শাহবাগ থানাধীন ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দল থেকে বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা এখনও দখল ও চাঁদাবাজি অব্যাহত রেখেছে।

তদন্তকারীদের মতে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে নিজেদের সুবিধা নিশ্চিত করছে। কমিটি স্থগিত হওয়ার পরও তারা হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ দিয়ে টাকা আদায় করছে। এতে নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুততম সময়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুত্র: যুগান্তর

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026