1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী

দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬০ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার করতে সরকার ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে।

মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় অনুভূতির গুরুত্ব ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। কওমি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ এবং সমাধান করা হলে কিরাতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এই শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। মন্ত্রণালয় আশা করছে, অতি শিগগিরই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ড. মিলন বলেন, “ধর্মীয় শিক্ষা বলতে শুধুমাত্র ইসলামিক শিক্ষা নয়; সব ধর্মের নৈতিক ও ধর্মীয় অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।” তিনি জটিলতাগুলো সমাধান করে শিক্ষাক্ষেত্রে সমন্বয় নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় কিরাত বিষয়টি আলাদা শিক্ষাবিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে কওমি শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিরাত শিক্ষকদের সনাক্তকরণ ও নিয়োগে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই জটিলতাগুলো সমাধানের মাধ্যমে সরকারিভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

জাতীয় সংসদে একই দিন অন্যান্য কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম অধিবেশনের দিন, বৃহস্পতিবার নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রবীণ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি মনোনীত করা হয়। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শপথ গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণের পরে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে শোকপ্রস্তাব উপস্থাপন করেন। এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি রেওয়াজ অনুযায়ী ভাষণ প্রদান করেন।

সরকারের এই উদ্যোগ নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষার মান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় সাধন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রণালয় এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ধর্মীয় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026