1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটি পরিচালনায় বিদেশিরা: বিতর্ক-সমালোচনা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী? আবরারের নামে কুষ্টিয়ায় সেতু ও বুয়েটে হল নির্মাণের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস গঙ্গায় নবায়ন নয়, ‘নতুন বা সংশোধিত’ চুক্তি চায় ঢাকা ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চান ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লড়বেন টটেনহ্যামের সাবেক ডিফেন্ডার রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র ক্রিকেট লিগ আজ শুরু জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা বাংলাদেশ কেবল জাতীয় স্বার্থেই চুক্তি স্বাক্ষর করে : প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সড়ক পরিবহনে নৈরাজ্য ও মাফিয়াবৃত্তির অবসান হবে : রুহুল কবির রিজভী

নদী ও খাল পুনরুদ্ধারে ২০ হাজার কিলোমিটার খনন কর্মসূচি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশের নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার একটি বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নদী ও খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সোমবার (১৬ মার্চ) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গোলাবাড়ি এলাকায় রাজখাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলা, দখল ও পলি জমার কারণে দেশের বহু নদী ও খাল নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলে অনেক এলাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং কৃষি ও মৎস্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পরিকল্পিতভাবে নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে নদী ও খাল খননের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জলসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এটি স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যসম্পদের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের অনেক নদী ও খাল বর্তমানে মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। এসব জলাধার পুনরুদ্ধার করা গেলে প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে। নদী ও খাল খননের ফলে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে, যা বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি খাল ও নদীর নাব্যতা ফিরে আসলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী নৌপথ ব্যবহার করে যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনেও সুবিধা পাবে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন খালের বর্তমান অবস্থার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জেলার যেসব খাল ভরাট হয়ে গেছে বা মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে খনন করা হবে। এতে এলাকার পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং স্থানীয় মৎস্য উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, রাজখাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল, ফলে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের কৃষিজমিতে পানি জমে থাকত। খনন কার্যক্রম শেষ হলে খালের পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার হবে এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে।

বাংলাদেশে নদী ও খালভিত্তিক জলব্যবস্থাপনা ঐতিহাসিকভাবে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাল ও নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় অনেক এলাকায় পানি সংকট, জলাবদ্ধতা এবং মৎস্যসম্পদের ক্ষতি দেখা দেয়। এ কারণে নিয়মিত খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমকে টেকসই জলব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রাজখাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026