1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামছে বাংলাদেশ ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রিটেইল ব্যাংকিং বিক্রির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের শিশুর অধিকার রক্ষাই আমাদের অঙ্গীকার বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা যুব এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের খেলা কবে? বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে রাজনৈতিক ও স্থানীয় নেতৃত্বকে ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালানোর আহ্বান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে দেশের আসন্ন জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। রাজধানীর কড়াইল এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে আয়োজিত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রবিবার সকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরুরি টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে হলে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে অভিভাবকদের কাছে টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। তার মতে, ঘরে ঘরে গিয়ে সচেতনতা বাড়াতে পারলে টিকা গ্রহণের হার বৃদ্ধি পাবে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

তিনি আরও জানান, ৫৯ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের অবশ্যই হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনতে হবে। শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে টিকা গ্রহণ যথেষ্ট নয়; বরং একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক হারে টিকা নিশ্চিত করতে পারলেই রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তিনি বলেন, জনসংখ্যার অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে, যাতে স্বল্পসংখ্যক শিশু টিকা থেকে বাদ পড়লেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি না থাকে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সময়মতো শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হাম-রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তিনি জানান, এ বিষয়ে নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যাতে টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ সময় তিনি ঢাকার উত্তর সিটি এলাকায় হাম চিকিৎসার জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনার জন্য স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। তার মতে, এ ধরনের বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থাকলে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দিয়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমানো যায়।

এছাড়া রবিবার থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায়ও টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়ে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে বাস্তবায়িত হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম-রুবেলা একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিয়মিত ও ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা সম্ভব। এ কারণে সরকার দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় শিশুদের বিভিন্ন টিকা প্রদান করে আসছে।

বর্তমান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের শিশুদের একটি বড় অংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026