1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামছে বাংলাদেশ ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রিটেইল ব্যাংকিং বিক্রির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের শিশুর অধিকার রক্ষাই আমাদের অঙ্গীকার বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা যুব এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের খেলা কবে? বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তথ্য অধিকার আইন সংশোধনে অংশীজনদের মতামত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব: তথ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলেও একই সঙ্গে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

রবিবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘তথ্য অধিকার ফোরাম’-এর কোর গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তথ্য অধিকার আইন সংশোধন, তথ্য প্রবাহের স্বচ্ছতা এবং অপতথ্য প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে তথ্য অধিকার আইন সংশোধন অধ্যাদেশ স্থগিত রাখার পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মতামত বিবেচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর আইন প্রণয়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, আইনটি আরও যুগোপযোগী করতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতামত ও সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে বর্তমানে তথ্যের প্রবাহ বেড়েছে, তবে একই সঙ্গে অপতথ্যের বিস্তারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তথ্য যাচাই ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে ‘ফ্যাক্ট চেকিং’ ও ‘স্ক্রিনিং’ প্রক্রিয়া জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য অধিকার আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য কমিশনের কাঠামো, ক্ষমতা ও কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের কাছে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

সভায় উপস্থিত অংশীজনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইন সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করা হবে। তাদের কাছ থেকে গঠনমূলক সুপারিশ নিয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে তথ্য অধিকার আইনের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা বলেন, তথ্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজতর করা, সরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং তথ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে অপতথ্য প্রতিরোধে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় আলোচনায় উঠে আসে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে, তবে এর অপব্যবহার রোধে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইনকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করা জরুরি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026