1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শহীদ আবু সাঈদ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী প্রতীক: ত্রাণমন্ত্রী সৌদি আরবে হুতিদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা বিদেশে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগে ৭ জনের কারাদণ্ড, ৫ জনকে জরিমানা শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিলাই ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: আসামি ৫ দিনের রিমান্ডে ঢাকা মেডিকেলের সামনে অচেতন যুবককে ফেলে গেলেন দুজন, জরুরি বিভাগে মৃত্যু বিএনপি সাধারণ মানুষের দল, ধর্ম-বর্ণে কোনো ভেদাভেদ নেই : সমাজকল্যাণমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় শান্তিরক্ষীদের অবদান অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং মানবতার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন। বিশ্বমঞ্চে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের এই আত্মত্যাগ চিরকাল গৌরবের ইতিহাস হয়ে থাকবে।

বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি বিশ্বশান্তি রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা এবং কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালে সুদানে শাহাদাতবরণকারী ৬ সেনাসদস্যের স্ত্রীর হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন। এছাড়া বিভিন্ন মিশনে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নানা প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বমঞ্চে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। দেশের এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয়, সেটি রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য। এ সময় বাহিনীর শৃঙ্খলা ও চেইন অফ কমান্ডের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক এবং সেনাবাহিনীর একজন মেজরই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। অতীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক তেমনি ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির সংকটসহ সব ধরণের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এই বাহিনীকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অবদানের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত দেশের সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর ২ লাখের বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩টি দেশে প্রায় ৬৩টি মিশনে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানেও ৪ হাজার ২১২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৯টি মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন এবং হাইতিতে নতুন একটি মিশনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্যের সাহসী অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপনের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের শীর্ষনেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী এবং বিভিন্ন দেশের বিদেশি কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026