1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শহীদ আবু সাঈদ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী প্রতীক: ত্রাণমন্ত্রী সৌদি আরবে হুতিদের হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা বিদেশে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগে ৭ জনের কারাদণ্ড, ৫ জনকে জরিমানা শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিলাই ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: আসামি ৫ দিনের রিমান্ডে ঢাকা মেডিকেলের সামনে অচেতন যুবককে ফেলে গেলেন দুজন, জরুরি বিভাগে মৃত্যু বিএনপি সাধারণ মানুষের দল, ধর্ম-বর্ণে কোনো ভেদাভেদ নেই : সমাজকল্যাণমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ৮২ হাজার ছাড়াল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৪৫ জন সন্দেহজনক এবং ৯৪ জন নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বর্তমান হাম পরিস্থিতিতে দেশে মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ছাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ২৯ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৯২৭ জনের শরীরে। বিগত প্রায় তিন মাসে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন। এর বিপরীতে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৩ Styles ১৪৫ জন রোগী।

বিজ্ঞপ্তিতে মৃত্যুর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৮ জনই হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে এই সময়ে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া কোনো হাম রোগীর মৃত্যু ঘটেনি। দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে সন্দেহজনক হাম উপসর্গে মোট ৫৪৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৯২ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর এই হার জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতার ইঙ্গিত দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ও বায়ুবাহিত উপায়ে দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে এলে অন্য শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুলাংশে বেড়ে যায়। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা শিশুরা এই রোগে মারাত্মক জটিলতার সম্মুখীন হয়। সময়মতো টিকাদান এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে সুচিকিৎসা নিশ্চিত না করা গেলে নিউমোনিয়া, তীব্র ডায়রিয়া ও মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে, যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে চলমান এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আরও জোরদার করা আবশ্যক। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনার পাশাপাশি লক্ষণযুক্ত শিশুদের আইসোলেশন বা পৃথক রাখার ব্যবস্থা করা জরুরি। একই সাথে আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026