1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হবে নতুন ৪ বই: শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অংশীদারত্ব জোরদারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ চায় বাংলাদেশ মেসির বিদায়ী ম্যাচ আজ; বাংলাদেশ সময় কখন? মোবাইলে দেখবেন যেভাবে বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা পাকিস্তানকে আবারও হারিয়ে ফাইনালের পথে বাংলাদেশ ঢাকা থেকে দিল্লি গিয়ে ‘মোদীর সঙ্গে ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ’ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী মনোনীত জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আফগানিস্তান সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২৯ জন নিহত

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আফগানিস্তান সংলগ্ন পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর এক বিশেষ অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন। রোববার রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। দেশটির কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান ও সিন্ধ প্রদেশে সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া সশস্ত্র হামলার জবাবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে নিহত ব্যক্তিরা সবাই দেশটির নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ বা টিটিপি-র সদস্য। আফগানিস্তানের তালেবান কর্তৃপক্ষের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রায় আড়াই দশক আগে পাকিস্তানে এই গোষ্ঠীটি গঠিত হয়েছিল। উগ্রপন্থী ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েক বছর আগেই পাকিস্তান সরকার দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। দেশটির সরকারি নথিপত্র ও প্রশাসনিক পরিভাষায় এই গোষ্ঠীকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও তাঁর বিবৃতিতে নিহতদের এই গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এই সীমান্ত অভিযানের পেছনে সাম্প্রতিক একটি বড় হামলাকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর আগের দিন, অর্থাৎ শনিবার রাতে সিন্ধ প্রদেশের রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘রেঞ্জার্স’-এর প্রাদেশিক সদর দপ্তরে একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা সংঘটিত হয়। ওই হামলায় রেঞ্জার্সের তিন কর্মকর্তা নিহত হন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদর দপ্তরে এমন আকস্মিক ও মারাত্মক হামলার পর পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা নীতি নির্ধারকেরা রোববার রাতেই সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানের মতো দুর্গম অঞ্চলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভূ-রাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলগুলোতে সরকারি স্থাপনা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। রোববারের এই অভিযানকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার একটি জোরালো প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই অভিযানের ফলে সীমান্ত অঞ্চলে সাময়িকভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলেও, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করতে এটি অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছে দেশটির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026