1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রিটেইল ব্যাংকিং বিক্রির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের শিশুর অধিকার রক্ষাই আমাদের অঙ্গীকার বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা যুব এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের খেলা কবে? বীরগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল মেসির বিদায়ে কঠিন পরীক্ষায় আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল-বাণিজ্য’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ দুই মাসের মধ্যে এক হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির বিদেশফেরতদের নতুন জীবন গড়তে সরকার ও জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি

নোয়াখালীতে বহুল আলোচিত শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় বহুল আলোচিত পাঁচ বছরের শিশু আসমা আক্তার হত্যা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ চার বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। মামলার একমাত্র আসামি নিহত শিশুর চাচাতো ভাই শাহাদাত (২৬)। এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল এবং আজ আদালত কী রায় দেন, সেদিকেই দৃষ্টি রয়েছে সংশ্লিষ্ট সকলের।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৬ জুলাই) সকালে নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তারের আদালতে এই স্পর্শকাতর মামলার রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার রায় ঘোষণার তারিখ তিন দফা পরিবর্তন করা হয়েছিল। সর্বশেষ আদালত চূড়ান্ত রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিনটি নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদীপক্ষের আইনজীবীরা দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় মাওলানা মো. শাহজাহানের পাঁচ বছর বয়সী কন্যাসন্তান আসমা আক্তার। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের নয় দিন পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।

পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে নিহতের চাচাতো ভাই শাহাদাতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে নিখোঁজ শিশু আসমার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে এবং শাহাদাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত চলাকালীন আসামি শাহাদাত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে সে উল্লেখ করে, ঘটনার দিন শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর বিষয়টি জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় সে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। অপরাধ আড়াল করার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে মরদেহটি বাড়ির পেছনের নির্জন সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে ফেলে দেয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর চাটখিলসহ পুরো নোয়াখালী জেলাজুড়ে ব্যাপক গণঅসন্তোষের সৃষ্টি হয়। নৃশংস এই শিশু হত্যার বিচার ও অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় চার বছর পর আজ এই মামলার চূড়ান্ত আইনি পরিণতি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026